রাজ্য – ভোট শেষ হতেই নন্দীগ্রামে ফের রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে। প্রথম দফার নির্বাচনের পর খোশমেজাজে দেখা গেল তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করকে। সারাদিনের ভোটযুদ্ধের শেষে তিনি কার্যত নিজের ওয়ার রুম থেকেই ভোট পরিচালনা করেন বলে দাবি করেছেন।
বৃহস্পতিবার ভোটের দিন একাধিকবার রাস্তায় নেমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর অভিযোগ করেন, নন্দীগ্রামের সাউদখালির ৭০ ও ৭১ নম্বর বুথে তৃণমূলের পোলিং এজেন্টদের বসতে দেওয়া হচ্ছিল না। অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন এবং এজেন্টদের পুনরায় বসানোর ব্যবস্থা করেন।
এরপরই রাজনৈতিক মন্তব্যে তীব্র আক্রমণ শানান পবিত্র কর। তাঁর দাবি, “শুভেন্দু অধিকারীর অস্তিত্ব চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।” তিনি আরও বলেন, নন্দীগ্রামের সব বুথে তৃণমূল এজেন্ট বসানো সম্ভব হয়েছে, কিন্তু বিজেপি সব বুথে এজেন্ট দিতে পারেনি।
পবিত্র করের দাবি, তিনি নন্দীগ্রামের প্রতিটি বুথ সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন এবং নমিনেশন জমা দেওয়ার দিন থেকেই তাঁর জয়ের বিষয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। ভোটের পর ব্যবধান আরও বড় হবে বলেও দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, তাঁর “মাথা একটি ডায়েরির মতো”, অর্থাৎ কোন বুথে কী হতে পারে তা তিনি আগে থেকেই জানতেন। তিনি আরও বলেন, নন্দীগ্রামে তিনি আগেই রাজনৈতিক পাল্টা জবাব দিয়েছেন এবং ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সেই প্রভাব দেখা যাবে।
ভোটের দিন গোটা নন্দীগ্রামজুড়ে একাধিক বুথে তিনি ঘুরে বেড়ান বলে জানা গিয়েছে। ভোট শেষের পর দুই শিবিরের এই পাল্টা বক্তব্যে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক মহল।


















