খেলা – স্পিনের জাদুতেই কার্যত কুপোকাত হয়ে গেল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। রোহিত শর্মার অনুপস্থিতিতে ছন্নছাড়া ব্যাটিং-বোলিংয়ে পুরো ম্যাচেই ছন্দহীন দেখাল হার্দিক পাণ্ড্যদের। ওয়াংখেড়েতে ঢুকে “সার্জিক্যাল স্ট্রাইক” চালাল ধোনি-শূন্য চেন্নাই সুপার কিংস। শেষ পর্যন্ত মুম্বইকে ১০৩ রানে উড়িয়ে দিল চেন্নাই।
বৃহস্পতিবার ওয়াংখেড়েতে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মুম্বই অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ড্য। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তই পরে বড় ভুল প্রমাণিত হয়। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই মুম্বইয়ের বোলারদের ওপর চড়াও হন চেন্নাইয়ের ব্যাটাররা। ইনিংসের হাল ধরেন সঞ্জু স্যামসন ও রুতুরাজ গায়কোয়াড়। যদিও বেশি ক্ষণ টিকতে পারেননি রুতুরাজ—তৃতীয় ওভারে ১৪ বলে ২২ রান করে ফিরে যান তিনি।
এরপর ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের সঙ্গে জুটি গড়ে দ্রুত রান তোলেন সঞ্জু স্যামসন। মাত্র ২৬ বলেই অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি। ব্রেভিস ও পরে জেমি ওভারটনের ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংসে চেন্নাই পৌঁছে যায় বিশাল স্কোরে। শেষ পর্যন্ত সঞ্জু স্যামসন ৫৪ বলে অপরাজিত ১০১ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন। চেন্নাই ৬ উইকেটে তোলে ২০৭ রান। মুম্বইয়ের হয়ে অশ্বিনী কুমার ও আল্লা গজনফর ২টি করে উইকেট নেন।
২০৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ধাক্কা খায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। মাত্র ৭ রানে আউট হন কুইন্টন ডি কক এবং শূন্য রানে ফেরেন দানিশ মালেওয়া। এরপর সূর্যকুমার যাদব ও তিলক বর্মা কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও আকিল হুসেন ও নূর আহমেদের স্পিন আক্রমণে ভেঙে পড়ে মুম্বইয়ের ইনিংস।
সূর্যকুমার করেন ৩৬ রান, তিলক বর্মা করেন ৩৭। কিন্তু বাকিরা কেউই দাঁড়াতে পারেননি। অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ড্য শূন্য রানে ফেরেন, রাদারফোর্ডও ব্যর্থ। চেন্নাইয়ের হয়ে বল হাতে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন আকিল হুসেন—নেন ৪ উইকেট এবং নূর আহমেদ পান ২ উইকেট।
শেষ পর্যন্ত মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ১০৩ রানে হারিয়ে বড় জয় তুলে নেয় চেন্নাই সুপার কিংস।


















