রাজ্য – জনগণনার কাজে যুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য বড় স্বস্তির খবর। এবার থেকে জনগণনার দায়িত্ব পালনের সময় তাঁদের ‘অন ডিউটি’ হিসেবে গণ্য করা হবে। এই মর্মে বুধবার নির্দেশিকা জারি করেছে পশ্চিমবঙ্গের স্কুল শিক্ষা দফতর। একইসঙ্গে গত ৩ অগস্ট জারি করা আগের নির্দেশিকাটিও প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। আগের নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, স্কুলের স্বাভাবিক পঠনপাঠনের কাজ শেষ করার পর শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জনগণনার দায়িত্ব পালন করতে হবে। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে তৈরি হয়েছিল বিতর্ক। শিক্ষকদের একাংশের দাবি ছিল, স্কুলে নিয়মিত ক্লাস নেওয়ার পাশাপাশি বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনগণনার কাজ করা তাঁদের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন। এমনকি ছুটির দিনেও জনগণনার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন শিক্ষকরা। বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টেরও দ্বারস্থ হয়েছিলেন ৩১ জন প্রাথমিক শিক্ষক-শিক্ষিকা। মামলার শুনানিতে আদালত প্রশ্ন তোলে, শিক্ষকরা একইসঙ্গে স্কুলের ক্লাস নেওয়া এবং জনগণনার দায়িত্ব কীভাবে সামলাবেন। শিক্ষকরা কোথা থেকে কাজে আসছেন, তাঁদের স্কুলের সময়সূচি কী এবং কাজের বাস্তব পরিস্থিতি কেমন—এসব বিষয়ও বিবেচনা করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছিল আদালত। সেই বিতর্কের মধ্যেই এবার স্কুল শিক্ষা দফতরের নতুন নির্দেশিকায় জনগণনার দায়িত্ব পালনের সময় শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ‘অন ডিউটি’ হিসেবে গণ্য করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। ফলে স্কুলের নিয়মিত দায়িত্ব এবং জনগণনার কাজ একসঙ্গে সামলানো নিয়ে যে চাপ তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। একইসঙ্গে আগের নির্দেশিকা প্রত্যাহার হওয়ায় জনগণনার কাজে যুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য নতুন নিয়ম কার্যকর হল।



















