ইরানকে চাপে ফেলতে ‘কঠোরতম’ অর্থনৈতিক অভিযান ট্রাম্পের, সহযোগী দেশগুলিকেও ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি

ইরানকে চাপে ফেলতে ‘কঠোরতম’ অর্থনৈতিক অভিযান ট্রাম্পের, সহযোগী দেশগুলিকেও ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



বিদেশ – মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। তার মধ্যেই ইরানকে আরও চাপে ফেলতে বড়সড় অর্থনৈতিক অভিযান ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে ব্যবসা কিংবা কোনও ধরনের আর্থিক লেনদেনে যুক্ত থাকলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলিকেও ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি’র মুখে পড়তে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। তবে ঠিক কী ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা স্পষ্ট করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বৃহস্পতিবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানকে সমঝোতার পথে আসার জন্য তাঁর মতো সুযোগ আর কেউ দেয়নি। কিন্তু সেই সুযোগ তেহরান কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছে। এরপরই তিনি কোনও দেশের বিরুদ্ধে নেওয়া ‘সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান’ শুরু করার কথা ঘোষণা করেন। ট্রাম্পের দাবি, এই অভিযানের লক্ষ্য হবে নজিরবিহীন অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করা এবং ইরানকে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া। শুধু ইরান নয়, অন্য দেশগুলিকেও সরাসরি সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর হুঁশিয়ারি, কোনও দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়িক সংস্থা, বিমানবন্দর কিংবা সরকারি প্রতিষ্ঠান ইরানকে সামান্যতম সহায়তা করলেও সেই দেশকে কঠিন অর্থনৈতিক পরিণতির মুখে পড়তে হবে। ইরানের তেল পাচার, অর্থ স্থানান্তর, এক্সচেঞ্জ হাউসের মাধ্যমে লেনদেন, জাহাজের রেজিস্ট্রি এবং ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে ব্যবসা—এই সমস্ত কার্যকলাপ অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প। যদিও কোনও নির্দিষ্ট দেশের নাম তিনি করেননি। তাঁর বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট দেশগুলি নিজেরাই জানে, তিনি কাদের কথা বলছেন। ফলে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন চাপ শুধু সামরিক ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, এবার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আর্থিক ব্যবস্থাকেও হাতিয়ার করে তেহরানকে আরও কোণঠাসা করার পথে এগোচ্ছে ওয়াশিংটন।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top