রাজ্য – বন্যা পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার রাজ্যের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যাবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সবং, নারায়ণগড় এবং আরামবঙ্গে গিয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করার পাশাপাশি দুর্গতদের সঙ্গেও কথা বলবেন তিনি। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, পূর্ব মেদিনীপুরের পাশাপাশি রাজ্যের আরও বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকেও মুখ্যমন্ত্রী সমস্ত বিধায়ক ও মন্ত্রীকে নিজেদের এলাকায় গিয়ে বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। সেই সঙ্গে উত্তরবঙ্গে যাওয়ার আগে নিজেও তিনটি এলাকা পরিদর্শন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা নাগাদ সবংয়ের হেলিপ্যাডে পৌঁছবেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। এরপর হেলিকপ্টারে নারায়ণগড়ের উদ্দেশে রওনা দেবেন। যাত্রাপথে আকাশপথে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করার কথা রয়েছে তাঁর। পরে আরামবঙ্গেও গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি প্রশাসনের তরফে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ কতটা চলছে, সেসব বিষয়ও পর্যালোচনা করতে পারেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সফর ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। সবং ব্লকের জুলকাপুর ফুটবল মাঠে তৈরি করা হয়েছে হেলিপ্যাড। গোটা মাঠজুড়ে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মাঠ প্রাঙ্গণে মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। পাশাপাশি উপস্থিত রয়েছেন উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিকরাও। নিরাপত্তা ব্যবস্থার তদারকিতে রয়েছেন খড়গপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বুশারা বানো-সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। সবং, নারায়ণগড় ও আরামবঙ্গের পরিস্থিতি পরিদর্শনের পর কলকাতা হয়ে বাগডোগরা যাওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রীর। সেখানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে অভ্যর্থনা জানানোর কর্মসূচিও রয়েছে তাঁর। ফলে একদিকে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনিক তৎপরতা, অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর—দুই দিকেই ব্যস্ত থাকছে মুখ্যমন্ত্রীর বৃহস্পতিবারের কর্মসূচি।




















