মুরারই
ফলের রস ও পানীয় জলের কারখানার আড়ালে বেআইনি ভাবে জাল বিদেশি মদ তৈরির কারবার চলছিল বলে অভিযোগ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বুধবার গভীর রাতে মুরারইয়ের হরিণপুর-জঙ্গিপুর রোডের ধারে একটি টিনের চাল দেওয়া চত্বরে অভিযান চালায় আবগারি দফতর। কয়েক ঘণ্টার অভিযানে বিপুল পরিমাণ মদ তৈরির সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে বলে দফতর সূত্রে খবর।
আবগারি দফতরের দাবি, উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা। এই বিপুল পরিমাণ সামগ্রী উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিণপুর-জঙ্গিপুর রোডের ধারে ওই চত্বরে ফলের রস এবং পানীয় জলের কারখানা রয়েছে। অভিযোগ, সেই কারখানার আড়ালেই বেআইনিভাবে জাল বিদেশি মদ তৈরির কাজ চলছিল। দীর্ঘদিন ধরেই এই কারবারের বিষয়ে খবর ছিল বলে আবগারি দফতরের দাবি।
গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পর বুধবার রাতে বীরভূমের আবগারি পুলিশ সুপার তনয় গুহের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। পাইকর ও মুরারই থানার সীমানা এলাকায় আবগারি দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে পুলিশও অভিযানে অংশ নেয়।
তবে অভিযানের শুরুতে ঘটনাস্থলে গিয়ে আধিকারিকরা দেখেন, গোটা চত্বরটিই তালাবন্ধ। এরপর তালা খুলে ভিতরে ঢুকে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকেই বিপুল পরিমাণ জাল বিদেশি মদ তৈরির উপকরণ উদ্ধার হয়েছে বলে আবগারি দফতরের দাবি।
কারখানাটির আড়ালে আদৌ কতদিন ধরে এই কারবার চলছিল, এর সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং উদ্ধার হওয়া সামগ্রী দিয়ে কত পরিমাণ মদ তৈরি করা হত—তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পুরো ঘটনায় আরও তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।



















