নয়াদিল্লি: জনগণনার তথ্য সংগ্রহের কাজে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের নিয়োগের পথ আরও স্পষ্ট করল কেন্দ্রীয় সরকার। ‘সেন্সাস রুলস, ১৯৯০’ সংশোধন করে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত এবং সাহায্যহীন—উভয় ধরনের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের এনুমারেটর হিসেবে নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। জনগণনার কাজে বেসরকারি সাহায্যহীন স্কুলের শিক্ষকদের নিয়োগ নিয়ে আইনি জটিলতার মধ্যেই এই সংশোধনী আনা হল।
শুক্রবার জারি করা এক গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ সংশ্লিষ্ট বিধি সংশোধন করেছেন। আগের নিয়মে রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির প্রশাসন জনগণনার তথ্য সংগ্রহের কাজে শিক্ষক, করণিক বা অন্য কোনও কর্মকর্তা কিংবা ব্যক্তিকে এনুমারেটর হিসেবে নিয়োগ করতে পারত।
সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংশোধিত বিধিতে নিয়োগের যোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ পরিচালিত প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত ও সাহায্যহীন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সমিতি বা ট্রাস্টের শিক্ষকদের এই কাজে নিয়োগ করা যাবে।
এছাড়াও কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের করণিকদেরও জনগণনার তথ্য সংগ্রহের কাজে নিয়োগ করা যেতে পারে। এই তালিকায় সরকারি খাতের উদ্যোগ, বিধিবদ্ধ সংস্থা, ব্যাঙ্ক, কোম্পানি, সমিতি ও ট্রাস্টের মতো প্রতিষ্ঠানও রয়েছে।
পাশাপাশি, রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির প্রশাসন প্রয়োজন অনুযায়ী উপযুক্ত মনে করলে অন্য ব্যক্তিকেও এনুমারেটর হিসেবে নিয়োগ করতে পারবে। সংশোধিত বিধির ফলে জনগণনার কাজে কর্মী নিয়োগের পরিধি আরও বিস্তৃত হল।




















