
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা, ২৯ ফেব্রুয়ারি, স্কুলের ফাইলপত্র ঠিক করে রাখা, ঘণ্টা বাজানো, প্রয়োজনীয় খাতা-নথি শিক্ষকদের কাছে পৌঁছনো, চা-জল দেওয়া এসবই মূলত স্কুলের পিওনের কাজ। সেরকম কমল সিংহ পিওনের কাজ করেন একটি হাই-স্কুলে। কিন্তু তার মাঝে প্রায় সময় তাঁকে দেখা যায় মোটা বই, পেন-পেন্সিল নিয়ে ক্লাসঘরে যেতে।
হ্যাঁ, প্রতিদিন এমন রুটিনে অভ্যস্ত কমল বাবুও। সকালে স্কুলে পৌঁছে নানান প্রয়োজনীয় কাজের ফাঁকে উঁচু ক্লাসের অঙ্ক-ফিজিক্স পড়ান কমল।জানা যায়, কমল বাবু একদিন স্কুলে গিয়ে দেখেন, বেশির ভাগ শিক্ষকই সে দিন স্কুলে আসেননি।যদিও ওই স্কুলে ৪০০ জন পড়ুয়ার জন্য রয়েছেন ১৯ জন শিক্ষক। কিন্তু তাঁদের মধ্যে অঙ্কের শিক্ষক মাত্র একজন! সেদিন তিনিও ছিলেন অনুপস্থিত। শিক্ষার্থীদের ক্লাসটা বেকার যাবে, বিষয়টা মোটেও ভাল লাগেনি কমলের।তাই সোজা প্রিন্সিপালের কাছে আবেদন জানান, নবম শ্রেণির ফিজিক্স ও অঙ্ক ক্লাস সেদিনের জন্য তিনি করাতে চান।
কোমল বাবুর কথা শুনে বাধা দেননি প্রিন্সিপাল।তারপর সামনে এল কমলের মেধা।যদিও প্রিন্সিপাল আগেই জানতেন, কমল পড়াশোনায় মেধাবী ও ফিজিক্সে এমএসসি। তাই এবার থেকে শিক্ষকের অনুপস্থিতিতে কমল বাবুর উপর দায়িত্ব দিলেন প্রিন্সিপাল।



















