সর্বনাশ হয়ে গেল। ধ্বংস করে দিয়ে গেল। আমপান লন্ডভন্ড করে যাওয়ার পর এমন প্রতিক্রিয়াই শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রীর গলায়। সকাল থেকে নবান্নের কন্ট্রোল রুমে বসে পরিস্থিতির উপর নজর রাখছিলেন। প্রতি মুহূর্তের খবর এসেছে তাঁর কাছে। করোনাভাইরাসের মাঝে আমফান। রীতিমতো শক্ত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে গোটা রাজ্য। একদিকে কোভিড 19 তার সঙ্গে আমফানের মতো ঝড় দুর্যোগ।

তিনি আরো বলেন উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ব্রিজ, রাস্তা, ঘরবাড়ি সব শেষ। তবে সব খবর এখনও পাওয়া যায়নি। বিডিও,এসডিও সকলে আছেন উনারা খবর পাঠাচ্ছেন। রাজ্যে ৭২জনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। বেশিরভাগই গাছ ভেঙে মারা গিয়েছে। ৫ লক্ষ মানুষকে সরাতে পেরেছিলাম।এখনো বিদ্যুত সংযোগ নেই কোনো এলাকায়।

রাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নবান্নের অনেক ক্ষতি হয়েছে। ভেঙে গিয়েছে অর্ধেক বিল্ডিং এর জানালার কাঁচ।

সব মিলিয়ে ঝড় নিয়ে অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

নব্বান্নের বৈঠকের মুখ্যমন্ত্রী জানান মৃতদের পরিবারকে আড়াই লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।



















