‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ নয়, এবার ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’! রাষ্ট্রসংঘে বড় ঘোষণা ডোনাল্ড ট্রাম্পের, সরকারি নথিতেও বদলানোর বার্তা

‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ নয়, এবার ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’! রাষ্ট্রসংঘে বড় ঘোষণা ডোনাল্ড ট্রাম্পের, সরকারি নথিতেও বদলানোর বার্তা

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



নিউ ইয়র্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ ও বিতর্কের মধ্যেই নতুন ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি জানান, আমেরিকার সরকারি নথিতে ‘Artificial Intelligence’-এর পরিবর্তে ‘Super Intelligence’ শব্দটি ব্যবহার করা হবে। ট্রাম্পের বক্তব্য, ‘Artificial’ শব্দটি প্রযুক্তিটিকে কৃত্রিম বা ভুয়ো বলে মনে করায়, অথচ তাঁর মতে এই প্রযুক্তি বাস্তব এবং অত্যন্ত শক্তিশালী।

ট্রাম্প বলেন, এবার থেকে আমেরিকার সরকারি নথিতে ‘Super Intelligence’ বা ‘SI’ শব্দটি ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশও এই নাম গ্রহণ করবে বলে তিনি আশা করছেন। একইসঙ্গে তিনি জানান, নতুন প্রযুক্তির মতো ‘Super Intelligence’-এরও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে AI-এর বিকাশকে থামিয়ে দেওয়ার বদলে প্রযুক্তিটির অগ্রগতিকে উৎসাহ দেওয়ার পক্ষেই তিনি সওয়াল করেন।

রাষ্ট্রসংঘে ভাষণ দেওয়ার সময় AI নিয়ন্ত্রণের জন্য কোনও আন্তর্জাতিক ‘গ্লোবালিস্ট’ কাঠামোর বিরোধিতাও করেন ট্রাম্প। প্রযুক্তির সম্ভাব্য বিপদ নিয়ে যে সতর্কবার্তা দেওয়া হচ্ছে, তার সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত অতীতের সতর্কতার তুলনা করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, AI মানুষের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনবে বা রোবট মানুষের উপর হামলা করবে—এমন আশঙ্কাকে তিনি অতিরঞ্জিত বলে মনে করেন।

তবে ‘Super Intelligence’ শব্দটির একটি প্রচলিত প্রযুক্তিগত অর্থও রয়েছে। সাধারণভাবে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যাওয়া AI-কে এই নামে বর্ণনা করা হয়। ফলে ট্রাম্পের ঘোষণায় সরকারি নথিতে AI-এর নাম বদলের পাশাপাশি প্রযুক্তি-জগতের প্রচলিত পরিভাষা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top