রাজ্য – বঙ্গসফরে এসে একেবারে বাঙালি স্বাদে মজলেন ফরাসি রাষ্ট্রদূত থিয়েরি ম্যাথু। শুক্রবার হুগলির চন্দননগরে সফরের মাঝেই রাস্তার ধারের ফুচকার দোকানে দাঁড়িয়ে ফুচকার স্বাদ নিলেন তিনি। রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ, চন্দননগরের বিধায়ক দীপাঞ্জন গুহ, প্রতিমন্ত্রী কলিতা মাঝি, সুমনা সরকার-সহ প্রশাসনের আধিকারিকরা।
চন্দননগরের রানিঘাট এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভগ্নপ্রায় অবস্থায় পড়ে থাকা ফরাসি আমলের পুরনো রেজিস্ট্রি ভবনের সংস্কারকাজের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় এদিন। এরপর চন্দননগর মিউজিয়ামে সাংবাদিক বৈঠকে ফরাসি ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং বাংলা-ফ্রান্সের মধ্যে পর্যটন ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও মজবুত করার বিষয়ে আলোচনা করেন শঙ্কর ঘোষ ও থিয়েরি ম্যাথু।
বৈঠক শেষে প্রোটোকলের গণ্ডি ছেড়ে রাস্তার ধারের ফুচকার দোকানে হাজির হন রাষ্ট্রদূত। নিজের হাতে ফুচকা তুলে নিয়ে টক-ঝালের স্বাদ নেন তিনি। তাঁকে দেখে পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ এবং বিধায়ক দীপাঞ্জন গুহও ফুচকা খান। ফুচকার স্বাদে রাষ্ট্রদূতের মুখে দেখা যায় তৃপ্তির হাসি। মুহূর্তের সেই দৃশ্যই পরে নজর কাড়ে নেটমাধ্যমে।
চন্দননগরকে কেন্দ্র করে জলপথে পর্যটন-সহ আগামী দিনে আরও একাধিক পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ। পর্যটনের হাত ধরে বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও বিস্তারের লক্ষ্যেই বাংলা-ফ্রান্স সহযোগিতার নতুন পর্ব শুরু হচ্ছে বলে জানান তিনি। ফরাসি রেজিস্ট্রি ভবনের সংস্কার ঘিরে এদিন চন্দননগরেও তৈরি হয় উৎসবের আবহ।



















