রাজ্য – বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয়ের পর রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর পাশে দাঁড়াল কংগ্রেস। সোমবার সন্ধ্যায় লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ফোন করে মমতার সঙ্গে কথা বলেন বলে জানিয়েছেন কংগ্রেস মুখপাত্র জয়রাম রমেশ। তিনি জানান, সাম্প্রদায়িক রাজনীতি এবং নির্বাচনের সময় কেন্দ্রীয় সংস্থার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার উপর জোর দিয়েছেন রাহুল।
রাহুল গান্ধী কথোপকথনের সময় বলেন, গণতন্ত্রে হার-জিত স্বাভাবিক ঘটনা হলেও গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক মূল্যবোধ রক্ষার লড়াইয়ে বিরোধী জোটকে দৃঢ় থাকতে হবে। একই দিনে তিনি তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ও ডিএমকে প্রধান এম. কে. স্ট্যালিন-এর সঙ্গেও ফোনে কথা বলেন এবং একই বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন বলে দাবি কংগ্রেসের তরফে।
অন্যদিকে, ভবানীপুর কেন্দ্রের ভোটগণনা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল থেকে বেরিয়ে তিনি ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, প্রায় ১০০টি আসনে বিজেপি কারচুপি করেছে এবং এতে নির্বাচন কমিশনেরও ভূমিকা রয়েছে। মমতার এই অভিযোগকে সমর্থন জানিয়ে রাহুল গান্ধী সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বলেন, বাংলা ও অসমের ভোট ‘চুরির স্পষ্ট উদাহরণ’। তিনি আরও দাবি করেন, এর আগে মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও একই কৌশল প্রয়োগ করা হয়েছিল।
যদিও তৃণমূলের ফলাফল হতাশাজনক, তবুও এই নির্বাচনে কংগ্রেস শিবির কিছুটা সাফল্য পেয়েছে। শূন্য থেকে উঠে তারা দুটি আসনে জয়লাভ করেছে। মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা কেন্দ্র থেকে মোতাবে শেখ ৮১৯৩ ভোটে জয়ী হয়েছেন। রানিনগর কেন্দ্র থেকে কংগ্রেস প্রার্থী জুলফিকার আলি ২৭০১ ভোটে জিতেছেন।



















