দুর্গাপুজোর পর কলকাতা পুরভোট, ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্নের ইঙ্গিত শুভেন্দুর

দুর্গাপুজোর পর কলকাতা পুরভোট, ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্নের ইঙ্গিত শুভেন্দুর

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



কলকাতা – কলকাতা পুরসভার নির্বাচনের দিনক্ষণ নিয়ে জল্পনার অবসান ঘটিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার কলকাতা পুরসভায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি জানান, দুর্গাপুজো, কালীপুজো এবং ছটপুজোর পরেই কলকাতা পুরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে আইন মেনে ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এদিন স্বচ্ছ অ্যাপের উদ্বোধন এবং আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে পুরসভার প্রস্তুতি পর্যালোচনা বৈঠকে অংশ নিতে কলকাতা পুরসভায় আসেন মুখ্যমন্ত্রী। পরে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে কলকাতা পুরসভায় প্রশাসনিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, কারণ মেয়র নিজের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। সেই পরিস্থিতিতে নাগরিক পরিষেবা সচল রাখতে প্রশাসক নিয়োগ করতে হয়েছে।

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, কোনও পুরসভায় ছয় মাসের বেশি প্রশাসক বসিয়ে রাখা যায় না। তাই আগামী ছয় মাসের মধ্যেই কলকাতা পুরসভার নির্বাচন সম্পন্ন করে নতুন পুরবোর্ডের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হবে। তাঁর কথায়, “আমরা প্রশাসক বসাতে চাইনি। কিন্তু মেয়রের পদত্যাগের কারণে বাধ্য হয়েছি। নাগরিক পরিষেবা এক মুহূর্তের জন্যও বন্ধ রাখা যায় না।”

কলকাতা পুরভোটের আগে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ভবানীপুরে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সময় তিনি দেখেছেন, কোথাও ৪৯টি বুথ রয়েছে, আবার কোথাও ২০টিরও কম। তাই ওয়ার্ডগুলির ভারসাম্য রক্ষায় পুনর্বিন্যাস প্রয়োজন বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ডিলিমিটেশন সংক্রান্ত সুপারিশ রাজ্য সরকার করবে এবং সেই কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলে তিনি জানান।

এদিন কলকাতা পুরসভার উন্নয়নমূলক প্রকল্পের জন্য বড় আর্থিক প্যাকেজের ঘোষণাও করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে। পাশাপাশি অমৃত প্রকল্পে ৬০:৪০ অনুপাতে আরও ৫০০ কোটি টাকা দেওয়া হবে। নমামী গঙ্গা প্রকল্পের জন্যও ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা ঘোষণা করেন তিনি।

এছাড়াও স্বচ্ছ ভারত মিশনের আওতায় ভবিষ্যতে আরও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, অর্থের অভাব থাকবে না, এবার পুর প্রশাসনের দায়িত্ব উন্নয়নমূলক কাজকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top