সংসদ অচল রাখাই কি বিরোধীদের লক্ষ্য? একের পর এক ইস্যুতে সরব রাহুলের শিবির

সংসদ অচল রাখাই কি বিরোধীদের লক্ষ্য? একের পর এক ইস্যুতে সরব রাহুলের শিবির

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



দেশ-‘দুর্জনের ছলের অভাব হয় না’—প্রচলিত এই প্রবাদকে সামনে রেখে বিরোধী শিবিরের সংসদীয় ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাদের অভিযোগ, রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিরোধীরা বাদল অধিবেশনের প্রায় গোটা সময়ই সংসদ অচল রাখার চেষ্টা করেছে। প্রতিদিন সংসদে এসে বিভিন্ন ইস্যুতে হট্টগোল এবং তার জেরে অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যাওয়াই যেন বিরোধীদের নিয়মিত কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ।

এর ফলে বাদল অধিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ একাধিক বিল নিয়ে পর্যাপ্ত আলোচনা সম্ভব হয়নি বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে বিরোধীদের বিক্ষোভের মধ্যেও কেন্দ্রীয় সরকার সুযোগ পেলেই একের পর এক বিল পাশ করিয়ে নিয়েছে। সরকারের পক্ষে অভিযোগ করা হচ্ছে, সংসদে আলোচনা ও আইন প্রণয়নের স্বাভাবিক পরিবেশ তৈরি করার পরিবর্তে বিরোধীরা বারবার নতুন নতুন ইস্যু সামনে এনে অচলাবস্থা বজায় রাখার কৌশল নিয়েছে।

বাদল অধিবেশন শুরুর সময় কংগ্রেস-সহ বিরোধীদের অন্যতম দাবি ছিল রাম মন্দিরের অনুদান সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে সংসদে আলোচনা করা। এরপর পড়ুয়াদের বিভিন্ন বিষয় সামনে আসে। পরে বিরোধীরা তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সরব হয়। কিছুদিন পর ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করলেও সংসদের অচলাবস্থা কাটেনি।

এরপর দিল্লিতে পড়ুয়াদের উপর কথিত অত্যাচারের অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সংসদে এসে জবাব দেওয়ার দাবি জানানো হয়। সরকারের তরফে সেই বিষয়ে বিবৃতি দেওয়ার প্রস্তুতি থাকলেও বিরোধীদের তরফে নতুন করে রাম মন্দিরের অনুদান সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়েও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

বিরোধীদের দাবি একের পর এক পরিবর্তিত হলেও সংসদে অচলাবস্থা অব্যাহত রয়েছে—এমনই অভিযোগ কেন্দ্রের। রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, সরকারের কাছে একাধিক দাবি মেনে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ার পরও যদি নতুন নতুন ইস্যু সামনে এনে সংসদ অচল রাখা হয়, তাহলে বিরোধীদের প্রকৃত লক্ষ্য কি আদৌ আলোচনা, নাকি সংসদের কাজকর্ম ব্যাহত করা?

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top