কর্মক্ষেত্রে সুখ বাড়াতে নতুন উদ্যোগ, চালু হচ্ছে ‘হ্যাপিয়েস্ট প্লেসেস টু ওয়ার্ক অ্যাওয়ার্ডস’

কর্মক্ষেত্রে সুখ বাড়াতে নতুন উদ্যোগ, চালু হচ্ছে ‘হ্যাপিয়েস্ট প্লেসেস টু ওয়ার্ক অ্যাওয়ার্ডস’

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


দেশ – বর্তমান সময়ে কর্মক্ষেত্রে অসন্তোষ যেন নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে বহু কর্মীর। কোথাও বেতন নিয়ে ক্ষোভ, কোথাও বা নিয়মিত বেতন বৃদ্ধি না হওয়ার হতাশা—সব মিলিয়ে অনেকেই অসুখী মন নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এর প্রভাব পড়ছে সংস্থার সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা ও পরিবেশেও। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে এবার বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, কর্মক্ষেত্রে সুখী ও ইতিবাচক পরিবেশ গড়ে তুলতে চালু করা হচ্ছে ‘হ্যাপিয়েস্ট প্লেসেস টু ওয়ার্ক অ্যাওয়ার্ডস’।
জানা গিয়েছে, আগামী জুলাই মাসের শেষের দিকে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বই-তে এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন দেশের শিল্প দুনিয়ার শীর্ষ কর্তারা। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হল কর্মীদের মনোভাব বোঝা, তাঁদের অসন্তোষ চিহ্নিত করা এবং সংস্থাগুলিকে আরও উন্নত কর্মপরিবেশ তৈরিতে সাহায্য করা।
এই পুরস্কারের মাধ্যমে সেই সব সংস্থাকে তুলে ধরা হবে, যেখানে সুস্থ ও ইতিবাচক কর্মসংস্কৃতি বিদ্যমান। কর্মীদের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা এবং সংস্থার ব্যবসায়িক সাফল্যের মধ্যে একটি সঠিক সমন্বয় গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য। আয়োজকদের মতে, এই পুরস্কার সেই প্রতিষ্ঠানগুলিকে সম্মান জানাবে, যারা কর্মীদের জন্য অর্থবহ ও মানবিক কর্মপরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।
পুরস্কার বিজয়ীদের বাছাই করতে একটি বিশেষ জুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এই বোর্ডে রয়েছেন হর্ষ গোয়েঙ্কা, হরিৎ নাগপাল, অতুল হেগড়ে, প্রজ্জ্বল সাহা এবং পুষ্পকুমার নায়ার। তাঁদের মূল্যায়নের ভিত্তিতেই নির্বাচিত হবে সেরা সংস্থাগুলি।
হর্ষ গোয়েঙ্কা-র মতে, কর্মক্ষেত্রে সুখী পরিবেশ এখন সংস্থার অগ্রগতি ও কর্মক্ষমতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে ‘হ্যাপিয়েস্ট প্লেসেস টু ওয়ার্ক’-এর প্রতিষ্ঠাতা রাজ নায়েক জানান, বহু প্রতিষ্ঠান এখনও কর্মীদের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা ও অনুভূতিকে গুরুত্ব দেয় না। এই পুরস্কার সেই সংস্থাগুলিকে স্বীকৃতি দেবে, যারা কর্মীদের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিয়ে একটি উন্নত কর্মপরিবেশ গড়ে তুলছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top