রাজ্য – বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-র ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার নাম না করে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন পীযুষ কানোরিয়া। মধ্যমগ্রামের হাসপাতালে পৌঁছে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁর মন্তব্য ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
পীযুষ কানোরিয়া বলেন, “ক্ষমতা চলে গিয়েছে, তারপরেও সন্ত্রাস থামছে না। আমরাও কিন্তু চুড়ি পরে বসে নেই। শুধু দল আমাদের বেঁধে রেখেছে বলে। এরপর কিন্তু খুঁজে পাওয়া যাবে না।” তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় গাড়িতে ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ এবং তাঁর চালক বুদ্ধদেব বেরা। কালো রঙের স্করপিও গাড়িতে তাঁরা যাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেই সময় বাইকে করে এসে দুষ্কৃতীরা গাড়িকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ঘটনায় গুরুতর আহত হন চালক, যিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন।
ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মধ্যমগ্রাম থানা এবং এয়ারপোর্ট থানা-র পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, শুভেন্দু অধিকারীর সর্বক্ষণের সঙ্গী হিসেবেই পরিচিত ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ।
প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, গাড়িটি যে গলিতে ঢুকবে সেই তথ্য আগে থেকেই আততায়ীদের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। সেইমতো পরিকল্পনা করেই উল্টো দিক থেকে বাইকে এসে হামলা চালানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বাইক আরোহীদের মাথায় হেলমেট ছিল। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ঘটনায় প্রায় ১২ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছে বলে অনুমান।
ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। সেখানে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের একাংশকে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়। তাঁদের অভিযোগের নিশানায় ছিলেন রথীন ঘোষ।
পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে হামলাকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। এলাকায় নিরাপত্তা ও নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।




















