‘দিদির প্রতি সম্মান চিরকাল থাকবে’, বিদ্রোহী শিবিরে নাম লিখিয়েও মমতাকে নিয়ে বার্তা রচনার

‘দিদির প্রতি সম্মান চিরকাল থাকবে’, বিদ্রোহী শিবিরে নাম লিখিয়েও মমতাকে নিয়ে বার্তা রচনার

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



রাজ্য – তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে রাজনীতির ময়দানে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন অভিনেত্রী-সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এবার তিনি বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়ে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিলেন। মঙ্গলবার লোকসভার সেক্রেটারি জেনারেল উৎপল কুমার সিংহের কাছে পৌঁছে এনসিপিআই-এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন বলে সূত্রের খবর। এরপরই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে মুখ খোলেন হুগলির সাংসদ।

রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করে জানান, রাজনৈতিক অবস্থান বদলালেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্কের কোনও পরিবর্তন হবে না। তিনি বলেন, ‘দিদির সঙ্গে আমার বহু বছরের সম্পর্ক। সেই সম্পর্ক অটুট থাকবে। ওনার প্রতি আমার সম্মান চিরকাল থাকবে।’

একইসঙ্গে তিনি স্বীকার করেন যে তৃণমূল নেত্রীকে কেন্দ্র করেই বাংলার মানুষ ভোট দিয়েছেন। রচনার কথায়, ‘সবাই বলেন, দিদিকে দেখে মানুষ আমাদের ভোট দিয়েছে। সেটা ঠিকই। কারণ তৃণমূলের মুখ এবং পরিচয়ই দিদি। তবে শুধুমাত্র আমি ফিল্মস্টার বলে মানুষ আমাকে ভোট দেয়নি। তারা আমাকে ভোট দিয়েছে যাতে আমি কাজ করতে পারি এবং এলাকার উন্নয়ন ঘটাতে পারি।’

হুগলির সাংসদের দাবি, উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রে একাধিক বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছিল তাঁকে। তিনি বলেন, ‘কিছু কিছু ক্ষেত্রে কাজের পথে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল। যে কাজগুলো করা উচিত ছিল, সেগুলো সেইভাবে করতে পারছিলাম না।’ পাশাপাশি তিনি মনে করেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজন।

এদিন রাজ্যের নতুন সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভূয়সী প্রশংসাও করেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, গত কয়েক মাসে রাজ্যে দ্রুত গতিতে উন্নয়নমূলক কাজ হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষ প্রত্যক্ষ করছেন। রচনার কথায়, ‘বিগত দু-এক মাসে রাজ্যে কত দ্রুততার সঙ্গে কাজ হচ্ছে, তা আমরা সবাই দেখতে পাচ্ছি। এতদিন মানুষ হয়তো বুঝতেই পারেননি যে বাংলায় এভাবেও কাজ করা সম্ভব।’

রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্পর্ক বজায় রাখার বার্তা, অন্যদিকে নতুন সরকারের প্রশংসা— দুইয়ের সমন্বয়ে তাঁর বক্তব্য রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top