বাংলায় বিজেপি সরকারের প্রথম পর্বে সাংসদ-বিধায়কদের পাঠ দেবেন অমিত শাহ, ১৯ জুলাই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

বাংলায় বিজেপি সরকারের প্রথম পর্বে সাংসদ-বিধায়কদের পাঠ দেবেন অমিত শাহ, ১৯ জুলাই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



রাজ্য – পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের পর এবার দলের জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব ও ভূমিকা স্পষ্ট করতে উদ্যোগী হচ্ছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেই লক্ষ্যেই জুলাই মাসে দ্বিতীয়বার রাজ্য সফরে এসে দলের সাংসদ, বিধায়ক এবং শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শাসক দলের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সরকার ও সংগঠনের ভূমিকা কীভাবে পৃথক রাখতে হবে, সেই বিষয়েই মূলত দিকনির্দেশ দেবেন তিনি।

সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ১৮ ও ১৯ জুলাই দু’দিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে থাকবেন। ১৮ জুলাই হাওড়ার সাঁকরাইলে বিশ্বের বৃহত্তম দই কারখানার শিলান্যাস অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। সরকারি কর্মসূচির পাশাপাশি পরদিন, ১৯ জুলাই, বিজেপির সাংসদ, বিধায়ক এবং রাজ্য নেতৃত্বকে নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বৈঠক করবেন তিনি।

দলীয় নেতৃত্বের মতে, পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে বিজেপি। ২৯৪ সদস্যের বিধানসভায় ২০৮টি আসন জিতে সরকার গঠনের পর প্রশাসন পরিচালনা এবং দলীয় সংগঠনকে সমান্তরালভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। সেই কারণেই বাংলার পরিস্থিতিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

বৈঠকে জনপ্রতিনিধিদের প্রশাসনিক দায়িত্ব, সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ, সংগঠনের কার্যক্রম এবং সরকার পরিচালনার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি শাসক দল হিসেবে জনমুখী প্রশাসন গড়ে তোলা এবং উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয়েও দিকনির্দেশ দেওয়া হতে পারে।

দলীয় সূত্রের দাবি, সরকার পরিবর্তনের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশের নেতা-কর্মীরা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই সতর্কবার্তা দিয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সংগঠনের শৃঙ্খলা বজায় রেখে দলকে আরও শক্তিশালী করার ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।

বিজেপি নেতৃত্বের মতে, বাংলায় নবগঠিত সরকারের প্রথম এক বছর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান, উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তবায়ন এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণের মাধ্যমে রাজ্যের সার্বিক অগ্রগতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top