৩ কোটি টাকার ঋণ নিয়ে ফ্ল্যাট কিনে জালিয়াতি! এক সম্পত্তি একাধিকবার বিক্রির অভিযোগে গ্রেফতার সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার

৩ কোটি টাকার ঋণ নিয়ে ফ্ল্যাট কিনে জালিয়াতি! এক সম্পত্তি একাধিকবার বিক্রির অভিযোগে গ্রেফতার সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

কলকাতা – ব্যাঙ্ক থেকে কোটি টাকার ঋণ নিয়ে সম্পত্তি কেনা, তারপর সেই সম্পত্তির নথিতে কারচুপি করে একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রি […]



কলকাতা – ব্যাঙ্ক থেকে কোটি টাকার ঋণ নিয়ে সম্পত্তি কেনা, তারপর সেই সম্পত্তির নথিতে কারচুপি করে একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করার অভিযোগে এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। ধৃতের নাম সুভাষকুমার মুখোপাধ্যায়। তাঁর কাছ থেকে জমি ও ফ্ল্যাট সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, নিউ আলিপুরে প্রায় ৫ হাজার বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কেনার জন্য গড়িয়াহাটের একটি বেসরকারি ব্যাঙ্ক থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন সুভাষকুমার। পরে সেই ফ্ল্যাটের অভ্যন্তরীণ কাঠামো পরিবর্তন করে সেটিকে তিনটি পৃথক ফ্ল্যাটে ভাগ করা হয়। অভিযোগ, এরপর সেই তিনটি ফ্ল্যাট দিল্লির তিনজন ক্রেতার কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়। তদন্তকারীদের দাবি, বিক্রির সময় ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করা হয় যে সম্পত্তিটি এখনও ব্যাঙ্কের ঋণের অধীনে রয়েছে। ফলে ক্রেতারা বিষয়টি না জেনেই ফ্ল্যাট কিনে নেন এবং পরবর্তীতে সেই সম্পত্তির ভিত্তিতেই ব্যাঙ্ক ঋণও পান।

তদন্তে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ঋণের কিস্তি পরিশোধ বন্ধ করে দেওয়ার পর বিষয়টি সামনে আসে। দীর্ঘদিন কিস্তির টাকা জমা না পড়ায় ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ অনুসন্ধান শুরু করে এবং জানতে পারে, সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাট ইতিমধ্যেই অন্যদের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে। এরপর গড়িয়াহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে তদন্তভার যায় লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের হাতে।

তদন্ত চলাকালীন আরও জানা যায়, সুভাষকুমারের নামে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া একাধিক কয়েক কোটি টাকার ঋণ রয়েছে, যার বেশিরভাগেরই কিস্তি দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া ছিল। কয়েকদিন আগে সল্টলেক থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। জেরায় তিনি দাবি করেছেন, পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হলেও দীর্ঘদিন ধরে ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়ে সম্পত্তি কেনা এবং পরে জাল নথির মাধ্যমে তা বিক্রি করে লাভ করার পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এত বড় প্রতারণা একার পক্ষে চালানো সম্ভব নয়। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বিভিন্ন ব্যাঙ্কের কিছু কর্মীর সহযোগিতায় অভিযুক্ত বারবার ঋণ পেয়েছেন। ঋণের কিস্তি বকেয়া থাকা সত্ত্বেও কীভাবে নতুন ঋণ মঞ্জুর হয়েছে, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই প্রতারণা চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, কোনও ব্যাঙ্ককর্মী বা অন্য ব্যক্তি সহযোগিতা করেছেন কি না, তা নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্তের সম্পত্তি লেনদেন ও আর্থিক নথিও বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করছেন তদন্তকারীরা।

কলকাতা – ব্যাঙ্ক থেকে কোটি টাকার ঋণ নিয়ে সম্পত্তি কেনা, তারপর সেই সম্পত্তির নথিতে কারচুপি করে একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রি […]

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top