রাজ্য – তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে বিদ্রোহ এবং সেই সূত্রে তৈরি হওয়া এনসিপিআই বা NCPI-কে ঘিরে ফের জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের পর সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ জন লোকসভা সদস্য মূল দল থেকে বেরিয়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। তবে লোকসভায় নতুন দল হিসেবে এনসিপিআই এখনও আনুষ্ঠানিক পূর্ণ স্বীকৃতি না পাওয়ায় স্পিকারের নথিতে ওই সাংসদদের নামের পাশে এখনও তৃণমূল কংগ্রেসের নামই রয়েছে। ফলে একদিকে রাজনৈতিকভাবে নতুন দল গঠনের দাবি, অন্যদিকে সংসদীয় স্বীকৃতি নিয়ে জটিলতা—এই দুইয়ের মাঝে অনিশ্চয়তায় রয়েছে বিদ্রোহী শিবিরের ভবিষ্যৎ।
এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদারের একটি পোস্ট ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। ওই পোস্টকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠছে, এনসিপিআইকে ঘিরে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে চলেছে এবং বিদ্রোহী সাংসদদের জন্য কি আরও বড় কোনও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত অপেক্ষা করছে?
তৃণমূল থেকে বেরিয়ে আসা সাংসদদের নিয়ে ইতিমধ্যেই জাতীয় রাজনীতিতে নানা আলোচনা চলছে। কিন্তু সংসদীয় নথিতে এখনও তাঁদের তৃণমূল সাংসদ হিসেবেই উল্লেখ করা থাকায় পরিস্থিতি পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। নতুন দল হিসেবে এনসিপিআইয়ের সাংসদদের অবস্থান কী হবে, লোকসভায় তাঁদের পৃথক স্বীকৃতি মিলবে কি না এবং আগামী দিনে তাঁরা কোন পথে এগোবেন—এই প্রশ্নগুলির উত্তর এখনও অধরা।
তার মধ্যেই কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে নতুন দল গঠনের সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। যদিও ওই পোস্টের ভিত্তিতে কোনও চূড়ান্ত রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কথা বলা হয়নি, তবু তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরকে ঘিরে নতুন সমীকরণের সম্ভাবনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। ফলে এখন নজর কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী সাংসদদের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।



















