
নিজস্ব সংবাদদাতা, বীরভূম, ২৮ এপ্রিল, দিন কয়েক আগে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েছিলেন, “কেন্দ্র সরকারের পাঠানো চাল অর্থাৎ FCI-এর চাল গুণগতভাবে নিকৃষ্টমানের। এই চাল মানুষের খাওয়ার যোগ্য নয়। কেন্দ্র সরকার কি পশ্চিমবঙ্গের মানুষদের গরু-ছাগল ভাবে?”
বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের এহেন সাংবাদিক সম্মেলনের পরেই বিজেপি কোমর বেঁধে মাঠে নামে। পরদিনই বীরভূম জেলা বিজেপি সভাপতি শ্যামাপদ মন্ডল ও তার দলীয় কর্মীরা তৃণমূলের বিরুদ্ধে চাল চুরির অভিযোগ এনে বিক্ষোভ দেখায়। পাশাপাশি বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ তোলা হয়, “কেন্দ্র থেকে যে চাল পাঠানো হয় তা ১ নম্বর, উৎকৃষ্ট মানের। আর এখানকার তৃণমূল নেতারা সেই চালের বস্তা পরিবর্তন করে অথবা লরিকে লরি গায়েব করে নিম্নমানের চাল সাপ্লাই করে। আর কেন্দ্রের পাঠানো ভাল চাল অনুব্রত বাবু ও তার দলবলের রাইস মিল থেকে সাপ্লাই হয়। সাধারণ মানুষ যেন কেন্দ্রের পাঠানো উৎকৃষ্টমানের চাল সম্পর্কে জানতে না পারেন তার জন্য গতকাল তিনি নাটক বাজি করেছেন।”
এরপর?এরপর এবার কোনরকম অভিযোগ নয় সরাসরি প্রমাণ করতে মাঠে নামলেন বীরভূম জেলা বিজেপি সভাপতি শ্যামাপদ মন্ডল। তিনি মঙ্গলবার নতুন করে একটি সাংবাদিক বৈঠক ডাকেন সিউড়িতে।যেখানে কেন্দ্রের পাঠানো চালের স্যাম্পেল তুলে ধরেন সাংবাদিকদের সামনে এবং তার গুণগতমান বিচার করতে বলেন। পাশাপাশি জানান, “দুবরাজপুরের তৃণমূল ব্লক সভাপতি ভোলা মিত্রর বাড়ি থেকে এফসিআই গোডাউনের সরকারি লোগো লাগানো চাল রয়েছে তা ধরা পড়েছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করছি এফসিআই অথবা রেশনের চাল তৃণমূল নেতারা চুরি করছে। আর আজ সেটা প্রমাণ হয়ে গেল। হাতেনাতে ধরা পড়ার সেই ভিডিও সকলের কাছে পৌঁছে গেছে।”
এছাড়াও তিনি নিশ্চিতভাবে জানান, “বীরভূম জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করবো, ৫০০ প্যাকেট চাল রয়েছে প্রতিকৃতি ময়দান ক্লাবে। আর আরো 500 প্যাকেট এফসিআই এর চালাচ্ছে পৌরসভার নায়েক পাড়ার পার্কে। আজ এগুলি অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হোক তাহলেই সব কিছু প্রমাণ হয়ে যাবে



















