খেলা – আইপিএলের প্লে-অফের দৌড়ে টিকে থাকতে গেলে এখন প্রতিটা ম্যাচই কার্যত ‘করো অথবা মরো’ পরিস্থিতি Kolkata Knight Riders-এর কাছে। একটি ম্যাচে পয়েন্ট খোয়ালেই শেষ হয়ে যেতে পারে শেষ চারে ওঠার স্বপ্ন। একই সমীকরণ ছিল Delhi Capitals-এর সামনেও। পয়েন্ট টেবিলের সাত ও আট নম্বরে থাকা দুই দলের গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে প্রথম ধাক্কাটা দিল Ajinkya Rahane-র নেতৃত্বাধীন কলকাতা।
টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় কেকেআর। শুরুতে কিছুটা আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করলেও শেষ পর্যন্ত কলকাতার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে বড় রান তুলতে ব্যর্থ হয় দিল্লি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪২ রান তোলে দিল্লি।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভালো সূচনা করেছিলেন Pathum Nissanka এবং KL Rahul। ওভার পিছু প্রায় ১০ রান তুলে দ্রুত রান তুলছিলেন দু’জনে। তবে সেট হয়ে যাওয়া রাহুলকে ফেরান Kartik Tyagi। বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন দিল্লির তারকা ব্যাটার।
এরপর একপ্রান্তে নিশঙ্কা লড়াই চালিয়ে গেলেও অন্যদিকে নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে দিল্লি। Nitish Rana-কে ফেরান Cameron Green। এরপর Sameer Rizvi সুনীল নারিনকে ছক্কা মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন। দুরন্ত ছন্দে থাকা নিশঙ্কাও শেষ পর্যন্ত ভুল করেন। অনুকূল রায়ের ওয়াইড বল এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে স্টাম্পড হন তিনি। উইকেটের পিছনে কোনও ভুল করেননি Angkrish Raghuvanshi।
এরপর অনুকূল রায়ের বল বুঝতে না পেরে বোল্ড হয়ে ফেরেন Tristan Stubbs। সেই সময় মাত্র ৮৯ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দিল্লি। এরপর ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক Axar Patel এবং Ashutosh Sharma। দু’জনে মিলে গুরুত্বপূর্ণ ৩৯ রানের জুটি গড়েন।
তবে বৈভব আরোরার বলে অক্ষর প্যাটেল আউট হতেই আবার চাপে পড়ে দিল্লি। বাউন্ডারি লাইনে দুরন্ত ক্যাচ নেন অনুকূল রায়। এরপর ব্যাটিংয়ের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করেন আশুতোষ। ২৮ বলে ৩৯ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল তিনটি চার ও তিনটি ছক্কা। শেষ পর্যন্ত রাহানের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি।
কলকাতার হয়ে অনুকূল রায় ও কার্তিক ত্যাগী দুটি করে উইকেট নেন। এছাড়া ক্যামেরন গ্রিন, Sunil Narine এবং Vaibhav Arora একটি করে উইকেট পান। Varun Chakravarthy চার ওভারে মাত্র ২৮ রান দিলেও কোনও উইকেট পাননি।




















