রাজ্য – রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ না থাকলেই নিয়ম ভেঙে পার পাওয়া যাবে—এমন সুযোগ আর থাকছে না। শহরের ব্যস্ত রাস্তা থেকে এক্সপ্রেসওয়ে, যানবাহনের গতিবিধির উপর নজরদারিতে এবার আরও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার হচ্ছে। AI ট্রাফিক ক্যামেরার মাধ্যমে গাড়ির নম্বর শনাক্ত করে হেলমেট বা সিটবেল্ট না পরা, নির্ধারিত গতিসীমা লঙ্ঘন, লালবাতি অমান্য কিংবা বেআইনি পার্কিংয়ের মতো নিয়মভঙ্গ ধরা পড়তে পারে। এরপর নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গাড়ির বিরুদ্ধে ই-চালান জারি হতে পারে।
১৯৮৮ সালের মোটর যান আইনের আওতায় সড়কে ট্রাফিক নিয়ম কার্যকর করা হয়। এতদিন ট্রাফিক পুলিশ এবং CCTV ক্যামেরার সাহায্যে আইনভঙ্গকারীদের উপর নজর রাখা হত। সেই ব্যবস্থার সঙ্গে এবার AI প্রযুক্তি যুক্ত হওয়ায় নজরদারি আরও স্বয়ংক্রিয় হচ্ছে। শহরের বিভিন্ন রাস্তা ও অলিগলিতে যানবাহনের চলাচল এবং চালকরা ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলছেন কি না, তা শনাক্ত করতে সক্ষম এই অত্যাধুনিক ক্যামেরা।
তথ্য বলছে, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে হেলমেট না পরার ঘটনা সবচেয়ে বেশি। ভারতীয় ট্রাফিক এনফোর্সমেন্ট মেশিনারির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক নিয়ম ভাঙার ঘটনায় মোট ৫ কোটি ১৬ লক্ষ জরিমানা জারি হয়েছিল। এর মধ্যে সর্বাধিক চালান করা হয়েছে হেলমেট না পরার জন্য।
AI-ভিত্তিক নজরদারি ব্যবস্থার ফলে রাস্তায় সরাসরি পুলিশকর্মীর উপস্থিতি না থাকলেও নিয়মভঙ্গ শনাক্ত করার সুযোগ বাড়ছে। ফলে ট্রাফিক আইন মেনে চলার ক্ষেত্রে চালকদের আরও সতর্ক হতে হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।




















