দলীয় কার্যালয়ে খাট-বিছানা নিয়ে বিতর্ক, ব্যাখ্যা দিলেন দেবাংশু ভট্টাচার্য

দলীয় কার্যালয়ে খাট-বিছানা নিয়ে বিতর্ক, ব্যাখ্যা দিলেন দেবাংশু ভট্টাচার্য

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


কলকাতা – সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে তল্লাশি অভিযানকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে খাট, আলমারি, তোষক-গদি, বালিশ, বিভিন্ন আসবাবপত্র, ত্রাণ সামগ্রী, ত্রিপল এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র উদ্ধারের দাবি করা হয়েছে। কোথাও কোথাও কন্ডোম ও গর্ভনিরোধক সামগ্রী উদ্ধারের ঘটনাও রাজনৈতিক মহলে চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

এই আবহেই দলীয় কার্যালয়ে বেডরুম বা থাকার ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য। তিনি জানিয়েছেন, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে দূরদূরান্ত থেকে বহু নেতা-কর্মী বিভিন্ন জেলা কার্যালয়ে আসেন। তাঁদের থাকার সুবিধার কথা মাথায় রেখেই অনেক পার্টি অফিসে বেডরুম এবং স্নানঘরের ব্যবস্থা রাখা হয়।

দেবাংশুর বক্তব্য, রাজনৈতিক কর্মীদের যাতে হোটেল ভাড়া করে থাকতে না হয়, সেই কারণেই বহু জেলা স্তরের দলীয় কার্যালয়ে অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা থাকে। তিনি নিজের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরে জানান, গত সাত বছরে তিনি নিজেও একাধিকবার বিভিন্ন জেলার পার্টি অফিসে থেকেছেন।

তাঁর দাবি, শুধু শোবার ঘর নয়, অনেক দলীয় কার্যালয়ে রান্নাঘরের ব্যবস্থাও থাকে। সেখানে কর্মী ও নেতাদের জন্য খাবার রান্না করা হয় এবং দীর্ঘদিন ধরেই এই ব্যবস্থা বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের কার্যালয়ে প্রচলিত।

তবে এই প্রসঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যের কথাও উল্লেখ করেছেন দেবাংশু। তাঁর মতে, দলীয় কার্যালয়ে কর্মীদের থাকার জন্য বেডরুম থাকা স্বাভাবিক বিষয় হলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। তিনি বলেন, কোনও স্কুল বা কলেজে যদি বেডরুম পাওয়া যায় এবং তা অসুস্থ ব্যক্তিদের বিশ্রামের জন্য নির্ধারিত ‘সিক রুম’ না হয়, তাহলে সেই বিষয়টি অবশ্যই তদন্তসাপেক্ষ হওয়া উচিত।

দলীয় কার্যালয়ে খাট-বিছানা ও আবাসনের ব্যবস্থা নিয়ে দেবাংশুর এই মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ককে উসকে দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং রাজনৈতিক দলগুলির সাংগঠনিক পরিকাঠামো নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top