রাজ্য – উত্তরবঙ্গের সীমান্ত নিরাপত্তা থেকে প্রশাসনিক কাজের অগ্রগতি—একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ফের বাংলায় আসতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ২০ থেকে ২২ অগস্ট পর্যন্ত তাঁর সম্ভাব্য তিন দিনের সফর ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে শিলিগুড়ি করিডর বা ‘চিকেনস নেক’-এর নিরাপত্তা, সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালান রোখা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হতে পারে বলে খবর। সাম্প্রতিক রিপোর্টেও ২২ অগস্ট শিলিগুড়িতে অমিত শাহের সফরের সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে। সূত্রের খবর, সফরে সীমান্তবর্তী জেলাগুলির প্রশাসনিক ও পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেই বৈঠকে সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও অন্যান্য চোরাচালান, অবৈধ আর্থিক লেনদেন এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধের মতো বিষয়গুলি গুরুত্ব পেতে পারে। সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় রাজ্য প্রশাসন, বিএসএফ এবং কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। অমিত শাহের সফরে বিশেষ নজরে থাকতে পারে শিলিগুড়ি করিডর। উত্তরবঙ্গের এই সরু ভূখণ্ড দেশের মূল অংশের সঙ্গে উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হওয়ায় কৌশলগতভাবে এর গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। ফলে এই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা মজবুত, সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি কেমন চলছে এবং অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রুখতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সেগুলিও খতিয়ে দেখা হতে পারে। পাশাপাশি ‘ভাইব্রেন্ট ভিলেজেস প্রোগ্রাম’-এর অগ্রগতিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরে আলোচনায় আসতে পারে। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে পরিকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা, কর্মসংস্থান এবং সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কেন্দ্রের এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের উন্নয়ন এবং সেখানে জনবসতি ধরে রাখাও এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য। ফলে অমিত শাহের সম্ভাব্য বাংলা সফরে একদিকে যেমন সীমান্ত নিরাপত্তা ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ নিয়ে আলোচনা হতে পারে, তেমনই সীমান্তবর্তী এলাকার উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজের অগ্রগতিও গুরুত্ব পেতে পারে।




















