‘
ডায়মন্ড হারবার: ডায়মন্ড হারবারের সরিষায় তৃণমূলের একটি পার্টি অফিস থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে। বুধবার ওই কার্যালয় থেকে প্রায় তিন কোটি টাকা উদ্ধার করেছিল পুলিশ। সাংবাদিক বৈঠক করে পুলিশের দাবি ছিল, হেফাজতে থাকা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেই এই টাকার হদিস মিলেছে। এবার সেই ঘটনাকে সম্পূর্ণ সাজানো চিত্রনাট্য বলে পাল্টা দাবি করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে অভিষেক দাবি করেন, টাকা উদ্ধারের ঘটনাটি পুলিশের তৈরি একটি দুর্বল চিত্রনাট্য। যে তৃণমূল কার্যালয় থেকে নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছে, সেটি মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়ক শামিম আহমেদের। উল্লেখযোগ্যভাবে, শামিম একসময় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন। তবে বৃহস্পতিবারের সাংবাদিক বৈঠকে অভিষেকের পাশেই দেখা যায় তাঁকে।
অভিষেকের অভিযোগ, পুলিশ শামিম আহমেদের উপর চাপ সৃষ্টি করে মিথ্যা বয়ান দেওয়ানোর চেষ্টা করেছে। শুধু অভিযোগ তোলাই নয়, শামিমের কাছে কবে এবং কোন নম্বর থেকে ফোন এসেছিল, তিনি কবে ডায়মন্ড হারবারের পুলিশ সুপারের দফতরে গিয়েছিলেন, সেই সংক্রান্ত তথ্যও সাংবাদিক বৈঠকে তুলে ধরেন অভিষেক।
পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অভিষেক আরও বলেন, এই ঘটনার পিছনে পরিকল্পিত উদ্দেশ্য রয়েছে। একইসঙ্গে পুলিশকে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘মনে রাখবেন, কেন্দ্রের নাম ডায়মন্ড হারবার, সাংসদের নাম অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।’
বুধবার টাকা উদ্ধারের পর পুলিশের বক্তব্য এবং বৃহস্পতিবার অভিষেকের পাল্টা অভিযোগ ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। একদিকে পুলিশের দাবি, অন্যদিকে তৃণমূল নেতৃত্বের পাল্টা অভিযোগ—এই ঘটনায় তদন্তের গতিপ্রকৃতি এবং পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে এখন নজর।




















