বিহার – বিহারের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন, মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব এবার বিজেপি নেতা Samrat Choudhary-র কাঁধে। একাধিকবার দলবদলের জন্য আলোচনায় থাকা এই নেতার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও সম্পত্তি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
২০২৫ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, Samrat Choudhary-র পরিবারের কাছে নগদ ১,৭১,৫৫০ টাকা ছিল। তাঁর নিজের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৯.২৯ কোটি টাকা। অন্যদিকে তাঁর স্ত্রী মমতা কুমারীর সম্পদের পরিমাণ ২.০১ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে তাঁদের মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১,৩১,০৪,৪২৮ টাকা।
হলফনামা অনুযায়ী, বিভিন্ন ব্যাঙ্কে তাঁদের প্রায় ২৭ লক্ষ টাকা জমা রয়েছে। এছাড়া স্বর্ণ ও রৌপ্য মিলিয়ে উল্লেখযোগ্য সম্পদ রয়েছে—প্রত্যেকের কাছে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার সোনা এবং ৭৫ হাজার টাকার রুপো রয়েছে। শেয়ার, বন্ড ও মিউচুয়াল ফান্ডে প্রায় ৩২ লক্ষ টাকার বিনিয়োগ করেছেন তিনি। এছাড়াও ইকুইটি ফান্ড ও অন্যান্য স্কিমে পৃথক বিনিয়োগ রয়েছে।
স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রেও যথেষ্ট পরিমাণ সম্পদ রয়েছে এই দম্পতির। Munger জেলার লাখানপুর এবং Patna-র বিভিন্ন এলাকায় জমিজমা রয়েছে তাঁদের। মোট স্থাবর সম্পত্তির মূল্য প্রায় ৯.৩০ কোটি টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ‘নিপ্পন ইন্ডিয়া রিটায়ারমেন্ট ফান্ড’ ও পোস্টাল সেভিংস স্কিমে লক্ষাধিক টাকা রাখা হয়েছে। তাঁর স্ত্রী মমতা কুমারীরও একই ধরনের বিনিয়োগ রয়েছে। পেশায় তিনি একজন আইনজীবী, আর Samrat Choudhary নিজেকে কৃষক হিসেবেও পরিচয় দেন।
শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে, তিনি পিএফসি কামরাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ডক্টর অফ লিট’ (সম্মানসূচক) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। যদিও অতীতে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বিতর্কও তৈরি হয়েছিল। ‘জন সুরাজ’-এর প্রধান Prashant Kishor তাঁর পড়াশোনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এর জবাবে Samrat Choudhary দাবি করেন, তিনি একটি বিশেষ ‘প্রি-ফরমেশন কোর্স’ সম্পন্ন করেছেন।
সব মিলিয়ে, সম্পত্তি ও শিক্ষাগত যোগ্যতা—দুই ক্ষেত্রেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন বিহারের নতুন মুখ্যমন্ত্রী।




















