ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটকে ধমক বিজেপি বিধায়কের, উত্তেজনা রামপুরহাটে

ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটকে ধমক বিজেপি বিধায়কের, উত্তেজনা রামপুরহাটে

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



রাজ্য – প্রশাসনিক কাজের নামে হয়রানি এবং ঘুষ নেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে রামপুরহাট মহকুমা শাসকের দপ্তরে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হল। অভিযোগ সামনে আসতেই ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট সুশান্ত কুমার মাইতির দপ্তরে গিয়ে তাঁকে কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা করেন রামপুরহাটের বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা। ভবিষ্যতে এমন অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

জানা গিয়েছে, শুক্রবার রামপুরহাট মহকুমা শাসকের দপ্তরে যান বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা। সেই সময় তারাপীঠ এলাকার দুই হোটেল ব্যবসায়ী ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে অসহযোগিতা এবং কাজ করে দেওয়ার নামে টাকা দাবি করার অভিযোগ তোলেন। ব্যবসায়ীদের দাবি, বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজের ক্ষেত্রে তাঁদের অযথা হয়রানি করা হয়েছে এবং কাজের বিনিময়ে অর্থ চাওয়া হয়েছে।

এই অভিযোগ শুনেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিধায়ক। পরে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের দপ্তরে যান এবং সরাসরি অভিযোগের বিষয়ে জবাবদিহি চান। অভিযোগকারীদের বক্তব্য তুলে ধরে তিনি সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে প্রশ্ন করেন এবং কড়া ভাষায় সতর্ক করেন।

ধ্রুব সাহার অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট আধিকারিক দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে পরিষেবা না দিয়ে হয়রানি করে আসছেন। পাশাপাশি এলাকার একাধিক পাথর খাদান মালিকের কাছ থেকেও ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। যদিও ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট সুশান্ত কুমার মাইতি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে মহকুমা শাসকের দপ্তরে উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয়। কিছু সময়ের জন্য প্রশাসনিক কাজকর্মেও প্রভাব পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। উপস্থিত কর্মীরাও ঘটনাকে ঘিরে বিস্মিত হয়ে পড়েন।

পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ধ্রুব সাহা বলেন, এই আধিকারিকের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ তাঁর কাছে এসেছে। এদিনও সাধারণ মানুষ অভিযোগ জানাতে তাঁর কাছে এসেছিলেন। জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে মানুষের স্বার্থ রক্ষা এবং প্রশাসনিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা তাঁর দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি।

অন্যদিকে, ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের তরফে অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top