হাসনাবাদে নাবালিকার বিয়ে রুখল প্রশাসন

হাসনাবাদে নাবালিকার বিয়ে রুখল প্রশাসন

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

নিজস্ব সংবাদদাতা ,বসিরহাট , ২৩ শে মার্চ :বসিরহাট মহাকুমার হাসনাবাদ ব্লকের মুরারিশা গ্রাম পঞ্চায়েতের মোল্লাপাড়া বছর ১৫ নাবালিকার বিয়ে দিচ্ছিল মোল্লা পরিবার।
বাবা সিরাজুল মোল্লা পেশায় ভ্যানচালক হতদরিদ্র পরিবারের কন্যা সন্তান বড় হলে অভিভাবকদের মাথায় চিন্তার ভাঁজ পড়ে ।কিন্তু রাজ্য সরকার যেভাবে শিক্ষাশ্রী যুবশ্রী ও কন্যাশ্রী স্মরণ করে যে প্রতিটি ঘরে এর সুবিধা পেয়েছে তালে কি সচেতনতার অভাব। না বোঝাতে ব্যর্থ প্রশাসন প্রথম এই খবরটি গ্রামবাসীর তরফ থেকে। হাসনাবাদ চাইল্ড লাইন এর কাছে খবর যায় ।সম্পাদক শাকিলা খাতুন নড়েচড়ে বসে। চাইল্ড লাইন হাসনাবাদ থানায় পুলিশ আধিকারিক এর খবর ও বিডিও কে লিখিত দেয়ার পরে হাসনাবাদ থানার পুলিশ আধিকারিক সিদ্ধার্থ ঘোষ কঠোর পদক্ষেপ নেয় ও বিডিও প্রতিনিধি প্রণব মুখার্জি চাইল্ড লাইনের কর্মী কুদ্দুস গাজী সঙ্গে নিয়ে সোজা নাবালিকার বিয়ে বাড়ি। হাসনাবাদ মুরারিশা ওই নাবালিকার বাড়িতে যায়। গিয়ে দেখে বিয়ের প্যান্ডেল বাধা কমপ্লিট গায়ে হলুদ নানি মুখ সব রেডি রীতিমতো রাধুনী রা খাবারের মেনু তৈরি করতে ব্যস্ত ।বাইরে বিয়ের সানাই বাজছে ।প্রশাসন কে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে মেয়ের বাবাকে সিরাজুল গাজী কে বোঝায়। ও তার পরিবারকে যে এই ১৫ বছরের নাবালিকার বিয়ে দেয়া যাবে না এটা সম্পূর্ণ বেআইনি যেখানে রাজ্য সরকার এত প্রচার এত উন্নয়নমুখী প্রকল্প ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য করছে। তার পরেই বিয়ে। পুরো বিষয়টা জানার পরে বাবা সিরাজুল গাজী প্রশাসনকে মুচলেকা দেয়। তার মেয়েকে পড়াশোনা করাতে চায়। যোগ্য বয়স 18 বছর হলে এবং সাবালিকা হলে তার মেয়েকে বিয়ে দেবে। মোল্লা পরিবার তাদের মেয়েকে পড়াশোনা করাবে ।কন্যাশ্রী ও রুপশ্রী নিয়ে তারপর মেয়েকে যোগ্য পাত্রের হাতে তুলে দেবে। এমনটা অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছে নাবালিকার পরিবার। একদিকে যেমন দুঃখে ও বেদনাদায়ক ঘটনা অন্যদিকে নাবালিকা পড়াশোনার কথা ও কন্যাশ্রী ও রুপসী কথা জানতে পেরে খুশি ওই নাবালিকা ছাত্রী।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top