বিনোদন – ২৩ জানুয়ারি, শুক্রবার, বসন্ত পঞ্চমীর রাতেই জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলেছেন অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। শৈশবের বন্ধু দেবমাল্য চক্রবর্তীর সঙ্গে গোধূলি লগ্নে অগ্নিসাক্ষী রেখে সাতপাঁকে বাঁধা পড়বেন তিনি। মাসখানেক ধরে শুটিংয়ের ফাঁকে বিয়ের প্রস্তুতি, কেনাকাটা থেকে শুরু করে যাবতীয় আয়োজন সামলেছেন মধুমিতা। অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে শুক্রবারই।
আর মাত্র ঘণ্টাখানেকের অপেক্ষা। তারপরই জীবনের দ্বিতীয় দাম্পত্য ইনিংস শুরু করবেন মধুমিতা। বিয়ের সকালে অভিনেত্রীর ব্যস্ততা ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তুঙ্গে অনুরাগীদের মধ্যে। কানাঘুষো, বারুইপুরে মধুমিতার এক আত্মীয়ের বাড়িতেই বসছে বিয়ের আসর।
বিয়ের আগের রাতে নিজের বাড়িতে ঘটা করে আইবুড়ো ভাতের আয়োজন করেছিলেন টলিপাড়ার দুষ্টু-মিষ্টি নায়িকা। সেই অনুষ্ঠানের একাধিক ছবি ইতিমধ্যেই সোশাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে এসেছে। আইবুড়ো ভাতের জন্য প্যাস্টেল শেডের গোলাপি শাড়ি পরেছিলেন মধুমিতা। সঙ্গে মানানসই সোনার গয়না ও ছিমছাম মেকআপে নজর কেড়েছেন অভিনেত্রী। পেল্লাই সাইজের মাছের মুড়ো হাতে ক্যামেরার সামনে পোজ দিতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে।
গাঁদাফুলে সাজানো অনুষ্ঠানে মধুমিতার সামনে রাখা কাঁসার থালায় থরে থরে সাজানো ছিল রকমারি বাঙালি পদ। মেন্যুতে ছিল ভাত, স্যালাড, পাঁচ রকমের ভাজা, বেগুনি, ফিশ ফ্রাই, ডাল, নানা ধরনের মাছের পদ এবং শেষপাতে পায়েস।
অন্যদিকে, মধুমিতার আইবুড়ো ভাতের দিনই বৃদ্ধির রীতি সম্পন্ন করেছেন তাঁর হবু বর দেবমাল্য চক্রবর্তী। সেই মুহূর্তের ছবিও নিজেই সোশাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। সাদা পাঞ্জাবি-পায়জামা, মাথায় শোলার টোপর পরে আত্মীয়-পরিজনদের মাঝে নিষ্ঠাভরে বৃদ্ধির নিয়ম পালন করতে দেখা যায় দেবমাল্যকে। পেশায় তিনি একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার।
শৈশবের বন্ধুত্ব থেকেই মধুমিতা ও দেবমাল্যের পরিচয়, যদিও প্রেমের সম্পর্কের শুরু মাত্র দু’বছর আগে। বসন্ত পঞ্চমীর সন্ধ্যায় সেই সম্পর্কই পরিণতি পাচ্ছে দাম্পত্য বন্ধনে। অতীতের বিচ্ছেদের যন্ত্রণা কাটিয়ে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলেছেন মধুমিতা। সেই সুখের মুহূর্তে প্রিয় অভিনেত্রীকে শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন তাঁর অসংখ্য অনুরাগী।




















