রাজ্য – রাজ্যপাল আর এন রবির সস্ত্রীক উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটের ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে পুজো দেওয়া এবং পাঠক্রমে হরিচাঁদ-গুরুচাঁদ ঠাকুরের বাণী বেশি রাখার বার্তা দেওয়ার জন্য শুক্রবার স্থানীয় মতুয়া মহা ধর্মমেলায় উপস্থিত ছিলেন। রাজ্যপালকে এই সফরে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। এই প্রথম কলকাতার বাইরে সফরে আসা রাজ্যপালকে ঠাকুরবাড়ির ভক্তরা উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
ঠাকুরবাড়িতে পৌঁছে রাজ্যপাল পুজো দেন এবং পরে নাটমন্দিরেও উপস্থিত হন। তিনি মতুয়া সমাজের ভক্তদের উৎসব উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানান এবং বিকশিত ভারতের নির্মাণে মতুয়া সমাজের অবদান তুলে ধরেন। এছাড়াও হরিচাঁদ ঠাকুরের চিন্তাভাবনা প্রসঙ্গে মন্তব্য করে জানান, তা শিক্ষাজীবন ও সমাজগঠনে গুরুত্বপূর্ণ এবং এই বাণী পাঠক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
এই সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক গুঞ্জনও দেখা দিয়েছে। তৃণমূল সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর উষ্মা প্রকাশ করেছেন, তিনি আগেই রাজ্যপালের ঠাকুরবাড়িতে আসার কথা জানতেন না। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “রাজ্যপাল বড়মার ঘরে গেলেন না, গুরুচাঁদ ঠাকুরের মন্দিরেও পুজো দিলেন না। উনি জানেন না, হরিচাঁদ ঠাকুরের বাণী ইতিমধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন এবং তাঁর জন্মদিনে ছুটি ঘোষণা করেছেন। এখন রাজনীতি করার জন্য এসেছেন।”
শান্তনু ঠাকুর রাজ্যপালকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “রাজ্যপালকে মতুয়া মহা ধর্মমেলায় চিঠি দিয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। তিনি এসেছেন, আমরা মতুয়ারা কৃতজ্ঞ।” এই সফরে ঠাকুরবাড়ি, মতুয়া মহা ধর্মমেলা এবং রাজ্যপালের বক্তব্য মিলিয়ে সমাজ ও শিক্ষাজীবনে হরিচাঁদ-গুরুচাঁদ ঠাকুরের বাণীর গুরুত্ব পুনরায় সামনে এসেছে।




















