রাজ্য – Suvendu Adhikari বৃহস্পতিবার হাওড়া ও দুর্গাপুরে একাধিক প্রশাসনিক বৈঠক করে রাজ্যের প্রশাসনিক মহলে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন। দুর্গাপুরের Srijani Auditorium-এ আয়োজিত বৈঠকে জঙ্গলমহলের পাঁচ জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই বৈঠক থেকেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, “পঞ্চায়েত সদস্যদের অনেকেই পালিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু পঞ্চায়েত অফিস অচল করে রাখার অধিকার কারও নেই। পঞ্চায়েত অফিস বন্ধ থাকবে না। সচিবরা নিয়মিত কাজ করবেন।”
রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েও এদিন বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্প রাজ্যে কার্যকর করা হবে এবং বর্তমানে যে প্রকল্পগুলি চলছে, সেগুলিও বন্ধ হবে না। তাঁর কথায়, “ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সুফল সাধারণ মানুষ পাবেন। উন্নয়নই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। এই সরকার যা বলবে, তা করেও দেখাবে।”
প্রশাসনিক ব্যয়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আগের সরকারের সমালোচনাও করেন। শুভেন্দুর দাবি, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে এই ধরনের প্রশাসনিক সভায় বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করা হতো। তবে বর্তমান সরকার সেই ব্যয় কমিয়ে মানুষের স্বার্থে আরও দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীলভাবে কাজ করছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ব্যস্ত সূচি ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। দিনের শুরুতে তিনি Belur Math-এ গিয়ে পুজো দেন। তারপর হাওড়া ও দুর্গাপুরে প্রশাসনিক সভায় যোগ দেন। দুর্গাপুরের বৈঠকে জঙ্গলমহলের পাঁচ জেলার আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমাদের আমলে কোনও ভোটার নিজের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন না। এই সরকার সাধারণ মানুষের সরকার।” পাশাপাশি শিল্পোন্নয়ন নিয়েও বড় বার্তা দেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, রাজ্যে কীভাবে শিল্পের জোয়ার আনা যায়, তা নিয়ে সরকার ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে। প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারের উন্নয়নমূলক বার্তা পৌঁছে দেওয়া।
ফলতায় পুনর্নির্বাচনে বিপুল ভোটদানের প্রসঙ্গও এদিন তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। দুর্গাপুরের মানুষের উদ্দেশে উন্নয়ন ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার আশ্বাস দিয়ে বৈঠক শেষে তিনি দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন।

















