রাজ্য – বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক স্তরে ফের বড় রদবদল করল Election Commission of India। এবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরেও পরিবর্তন আনা হল। রাজ্যের ডেপুটি সিইও সুব্রত পালকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় রাহুল নাথকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সুব্রত পালকে পাঠানো হয়েছে স্বাস্থ্য দফতরে। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে সোমবার থেকেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে প্রশাসনিক মহলে।
সূত্রের খবর, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক Manoj Agarwal-এর ডেপুটি হিসেবে কাজ করছিলেন সুব্রত পাল। তবে ঠিক কী কারণে তাঁকে সরানো হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই রদবদল দিনের বেলাতেই করা হয়েছে, যেখানে কয়েকদিন আগেই মধ্যরাতে রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজি-সহ পুলিশের শীর্ষস্তরের একাধিক আধিকারিককে বদলি করা হয়েছিল।
শুধু সুব্রত পালই নন, নির্বাচন কমিশনের সুপারিশে আরও কয়েকজন শীর্ষ আধিকারিককে সরানো হয়েছে। নরেন্দ্রনাথ দত্ত, সুপ্রিয় দাস এবং মিঠু সরকার—এই তিনজনকেও সিইও দফতর থেকে সরিয়ে অন্য দফতরে পাঠানো হয়েছে। নবান্নের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নরেন্দ্রনাথ দত্তকে শ্রম দফতরের অতিরিক্ত সচিব, সুপ্রিয় দাসকে খাদ্য ও উদ্যানপালন দফতরের অতিরিক্ত সচিব এবং মিঠু সরকারকে সংখ্যালঘু বিষয়ক দফতরের যুগ্ম সচিব করা হয়েছে।
এর আগে রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনে একাধিক বদল আনা হয়েছিল। একাধিক জেলার পুলিশ সুপার এবং থানার ওসি-দের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, এই রদবদলের প্রস্তাব দিয়েছিলেন খোদ সিইও মনোজ আগরওয়াল।
এদিকে এই বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি Sujay Paul-এর বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, একদিনের মধ্যে ২৬৭ জন অফিসারকে অপসারণ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ১৮৪ জন পুলিশ আধিকারিক এবং ৮৩ জন বিডিও ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার।
ভোটের আগে প্রশাসনে এই ধারাবাহিক রদবদল রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।




















