রাজ্য – ভোটের শেষ পর্বে গণনা কেন্দ্রগুলিতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট রুখতে বড়সড় প্রস্তুতি নিয়েছে West Bengal State Electricity Distribution Company Limited। গণনা প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন রাখতে সাব-স্টেশন ও গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রগুলিতে অতিরিক্ত প্রায় সাত হাজার কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। উদ্দেশ্য, যেকোনও পরিস্থিতিতে দ্রুত বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক রাখা।
সূত্রের খবর, গণনা কেন্দ্রগুলিতে সাধারণত ডিজেল জেনারেটর, ইনভার্টার ও ইউপিএসের মতো ব্যাকআপ ব্যবস্থা রাখার দায়িত্ব জেলা প্রশাসনের। তবুও বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থা নিজ উদ্যোগে অতিরিক্ত প্রস্তুতি নিয়েছে, যাতে কোনোভাবেই গণনা প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত না ঘটে। বিশেষ করে আবহাওয়া জনিত কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলে দ্রুত পরিষেবা স্বাভাবিক করার লক্ষ্যেই এই ব্যবস্থা।
রাজ্যের প্রায় ৭৫০টি সাব-স্টেশন এবং ৫৫০টি গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্র রয়েছে। সাধারণত অফিস সময়ের বাইরে অনেক জায়গায় সীমিত কর্মী থাকলেও এবার প্রতিটি কেন্দ্রে অতিরিক্ত ৫-৬ জন করে অস্থায়ী কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। সংস্থার দাবি, এটি এক দিনের জন্য বিশেষ নিয়োগ, যা সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে করা হয়েছে।
ভোটের দিনে যেমন West Bengal জুড়ে বাড়তি নজরদারি ছিল, তেমনই গণনার দিনেও বিদ্যুৎ পরিষেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। কোথাও ট্রান্সফরমার বিকল হওয়া, তার ছিঁড়ে যাওয়া বা ঝড়-বৃষ্টিতে সমস্যা তৈরি হলে দ্রুত মেরামতির জন্য অতিরিক্ত ট্রান্সফরমার, খুঁটি ও তার মজুত রাখা হয়েছে।
এছাড়াও প্রায় ৬০ হাজার বুথে সিসিটিভি নজরদারি ও ওয়েবকাস্টিংয়ের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে আগে থেকেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। এর জন্য সংস্থার তরফে প্রায় ২৫ কোটি টাকার বেশি খরচ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সব মিলিয়ে, ভোট গণনার দিনে বিদ্যুৎ পরিষেবায় কোনও বিঘ্ন না ঘটানোর জন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থা। এখন দেখার, এই কড়া ব্যবস্থার মধ্যে গণনা পর্ব কতটা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।




















