ফলতায় ভোট বাতিলের পর বেনিয়মে অভিযুক্ত ২৪২ জন, ফল প্রকাশের পরই কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত

ফলতায় ভোট বাতিলের পর বেনিয়মে অভিযুক্ত ২৪২ জন, ফল প্রকাশের পরই কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – দ্বিতীয় দফায় ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে হওয়া ভোটগ্রহণে অশান্তি ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর চার দিনের মাথায় তা বাতিল করে দেয় নির্বাচন কমিশন। এরপর ২ মে নতুন করে ভোটের দিন ঘোষণা করা হয়। এবার সেই ফলতা কেন্দ্রেই বেনিয়মের অভিযোগে ২৪২ জনের বিরুদ্ধে কমিশনে রিপোর্ট জমা পড়েছে। সূত্রের খবর, আগামীকাল ফল প্রকাশের পরই তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
ভোটের দিন একাধিক বুথে ইভিএমের ব্যালট ইউনিটের বোতামে আঠা বা অন্য কিছু লাগানোর অভিযোগ সামনে আসে, যা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে প্রভাব ফেলতে পারে বলে দাবি করা হয়। পাশাপাশি ভোটারদের ভয় দেখানো, বুথ দখল এবং বুথে অবৈধভাবে রাজনৈতিক কর্মীদের উপস্থিতির মতো গুরুতর অভিযোগও উঠে আসে বিভিন্ন জায়গা থেকে।
সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখে আগামী ২১ মে পুনরায় ভোটের দিন ধার্য করা হয় ফলতায়, এবং গণনা হবে ২৪ মে। তবে ভোট বাতিলের ঘটনায় প্রিসাইডিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসার ও সাধারণ পর্যবেক্ষকের ভূমিকা নিয়েও বড় প্রশ্ন তুলেছে কমিশন।
কমিশনের প্রধান আপত্তি প্রিসাইডিং অফিসারের রিপোর্ট ঘিরে। অভিযোগ, তিনি জানিয়েছেন ব্ল্যাক টেপ সরানোর পর ভোট স্বাভাবিকভাবে হয়েছে, কিন্তু এমন গুরুতর পরিস্থিতি সত্ত্বেও দুপুর ১টা পর্যন্ত কেন কোনও রিপোর্ট দেওয়া হয়নি তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুধু একটি নয়, প্রায় ৪০টিরও বেশি বুথে একই ধরনের অভিযোগ সামনে এসেছিল।
রিটার্নিং অফিসার ও সাধারণ পর্যবেক্ষকের আচরণেও অনিয়মের ইঙ্গিত মিলেছে। অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাঁরা রিপোর্টে রিপোলের প্রয়োজন নেই বলে উল্লেখ করেন এবং ফর্ম ১৭সি জমা দেন। আরও অভিযোগ, বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত ফলতায় আসছেন জেনেও সাধারণ পর্যবেক্ষক তাঁর জন্য অপেক্ষা না করে এলাকা ছেড়ে চলে যান। স্ক্রুটিনির সময় বিজেপিকে না ডাকার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।
সূত্রে জানা গেছে, আধিকারিক ও ভোটকর্মী মিলিয়ে মোট ২৪২ জনের বিরুদ্ধে রিপোর্ট জমা পড়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতি, অভিযোগ উপেক্ষা, সময়মতো ব্যবস্থা না নেওয়া এবং কমিশনকে সঠিকভাবে পরিস্থিতি জানাতে ব্যর্থ হওয়ার মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
জেলার ডিইও এবং বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তের তরফ থেকেও এ সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা পড়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মী ও আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ৪ মে ফল প্রকাশের পরই কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top