রাজ্য – বাংলায় প্রথম বিজেপি সরকার গঠনের পথে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল। পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়ার পর শুক্রবার সরকার গঠনের দাবি জানাতে লোকভবনে পৌঁছলেন Suvendu Adhikari। তাঁর নেতৃত্বাধীন বিজেপি প্রতিনিধিদল রাজ্যপাল R. N. Ravi-র হাতে সরকার গঠনের প্রস্তাবপত্র জমা দেয়। রাজনৈতিক মহলের মতে, এর মধ্য দিয়েই বাংলায় কার্যত নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়ে গেল।
এদিন শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে লোকভবনে উপস্থিত ছিলেন Shamik Bhattacharya, Dilip Ghosh, Sukanta Majumdar, Locket Chatterjee, Shantanu Thakur এবং Tapas Roy-সহ বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা ও নবনির্বাচিত বিধায়করা। বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন Mohan Charan Majhi-ও। বিজেপি সূত্রের দাবি, বাংলায় সরকার গঠনের এই মুহূর্তকে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবেই দেখছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
এর আগে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত বিজেপির পরিষদীয় দলীয় বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারীকে মুখ্যমন্ত্রী পদে নির্বাচিত করা হয়। এরপরই সরকার গঠনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু করে দল। সেই অনুযায়ী রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার গঠনের দাবি জানানো হয়।
সূত্রের খবর, রাজ্যপাল সরকার গঠনের প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন এবং খুব দ্রুত পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। আগামী শনিবার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি নতুন মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্যও ওই অনুষ্ঠানে শপথ নেবেন বলে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলায় বিজেপির সরকার গঠন শুধু রাজ্যের ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, জাতীয় রাজনীতিতেও বড় বার্তা বহন করছে। দীর্ঘদিনের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপির ক্ষমতায় আসা দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।
এদিন লোকভবনের বাইরে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের উচ্ছ্বাসও ছিল চোখে পড়ার মতো। নতুন সরকারের হাত ধরে বাংলায় প্রশাসনিক পরিবর্তন ও উন্নয়নের নতুন অধ্যায় শুরু হবে বলেই আশাবাদী বিজেপি নেতৃত্ব।




















