রাজ্য – প্রবল গরমে নাজেহাল অবস্থা বঙ্গবাসীর। সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে প্যাচপ্যাচে গরমে হাঁসফাঁস পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাপমাত্রা খুব বেশি না বাড়লেও বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় অস্বস্তি চরমে উঠেছে। ক্লান্তি ও ঘাম থেকে মিলছে না স্বস্তি। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সাত দিন দক্ষিণবঙ্গে এই ভ্যাপসা গরমের পরিস্থিতি বজায় থাকবে। ফিল লাইক টেম্পারেচার বা অনুভূত তাপমাত্রা আরও বেশি থাকবে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বর্তমানে কলকাতার তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ৩৬ থেকে ৩৭ ডিগ্রির মধ্যে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছতে পারে বলে জানানো হয়েছে। এরই মধ্যে আন্দামানে বর্ষা প্রবেশ করেছে এবং নির্ধারিত সময়ের প্রায় ছয় দিন আগেই কেরলে বর্ষা ঢুকতে পারে বলে আবহাওয়াবিদদের অনুমান।
তবে গরমের মাঝেই কিছুটা স্বস্তির খবরও দিয়েছে হাওয়া অফিস। মঙ্গলবার ও বুধবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা এবং হুগলি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই স্থানীয় বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে দমকা হাওয়া ও বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে। যদিও বৃষ্টির মাঝেও গরমের অস্বস্তি পুরোপুরি কমবে না বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।
অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গ যখন তীব্র গরমে পুড়ছে, তখন উত্তরবঙ্গে একেবারে উল্টো ছবি। সেখানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়বৃষ্টি হলেও বুধবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে বইতে পারে দমকা হাওয়াও। বৃহস্পতিবার থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির দাপট আরও বাড়বে বলে পূর্বাভাস।



















