নরওয়েতেও মোদিকে ঘিরে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে প্রশ্ন

নরওয়েতেও মোদিকে ঘিরে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে প্রশ্ন

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


বিদেশ – নেদারল্যান্ডসের পর এবার নরওয়েতেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিদেশ সফর ঘিরে উঠল সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে প্রশ্ন। সোমবার নরওয়েতে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই এক সাংবাদিক সরাসরি মোদিকে এই বিষয়ে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন। যদিও সেই প্রশ্নের কোনও উত্তর দেননি প্রধানমন্ত্রী। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেন বিদেশমন্ত্রকের বিশেষ সচিব সিবি জর্জ।
তিনি দাবি করেন, কিছু “অপ্রাসঙ্গিক” ও “মূল্যহীন” এনজিওর রিপোর্টের ভিত্তিতেই বিদেশি সাংবাদিকরা এই ধরনের প্রশ্ন তুলছেন। তাঁর বক্তব্য, ভারতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে যেভাবে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, তা বাস্তব পরিস্থিতির প্রতিফলন নয়।
সম্প্রতি রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (আরএসএফ)-এর ২০২৬ সালের বার্ষিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সূচকে ১৮০টি দেশের মধ্যে ভারতের স্থান ১৫৭। তালিকার শীর্ষে রয়েছে নরওয়ে এবং দ্বিতীয় স্থানে নেদারল্যান্ডস। এই দুই দেশ সফরের সময়ই মোদিকে একই ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে।
নেদারল্যান্ডস সফরের আগেই সেদেশের প্রধানমন্ত্রী রব জেটেন মন্তব্য করেছিলেন, শুধু ভারতের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নয়, সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি নিয়েও ডাচ সরকার উদ্বিগ্ন। তাঁর দাবি, এই বিষয়গুলি নিয়ে ভারত সরকারকে একাধিকবার সতর্কও করা হয়েছে।
নেদারল্যান্ডসে সাংবাদিক বৈঠকে এক ডাচ সাংবাদিক প্রশ্ন তোলেন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে উদ্বেগের কারণেই কি মোদি যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন এড়িয়ে গিয়েছেন? উত্তরে সিবি জর্জ বলেন, “এই ধরনের প্রশ্ন ওঠে কারণ প্রশ্নকর্তার জ্ঞানের অভাব রয়েছে।”
নরওয়ের রাজধানী অসলোতেও একই ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। সেখানে এক সাংবাদিক জানতে চান, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, মানবাধিকার এবং সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে ভারতকে আদৌ বিশ্বাস করা যায় কি না। জবাবে সিবি জর্জ বলেন, “ভারতে বিপুল সংখ্যক সংবাদমাধ্যম রয়েছে। শুধু দিল্লিতেই প্রায় ২০০টি নিউজ চ্যানেল রয়েছে, যারা প্রতিদিন ব্রেকিং নিউজ দেখায়। সমালোচকরা এমন কিছু রিপোর্ট পড়েন, যা কিছু অপ্রাসঙ্গিক এনজিও তৈরি করেছে। ভারতের সংবিধান সকলকে সমানাধিকার দিয়েছে।”
এই মন্তব্যের পরই সাংবাদিক বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান প্রশ্নকারী সাংবাদিক।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top