ডিএ, বেতন কমিশন থেকে দুর্নীতি ইস্যু—নবান্নের দ্বিতীয় মন্ত্রিসভা বৈঠকের দিকে তাকিয়ে সরকারি কর্মীরা

ডিএ, বেতন কমিশন থেকে দুর্নীতি ইস্যু—নবান্নের দ্বিতীয় মন্ত্রিসভা বৈঠকের দিকে তাকিয়ে সরকারি কর্মীরা

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – বকেয়া ডিএ, সপ্তম বেতন কমিশন এবং প্রশাসনিক সংস্কার—একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুকে সামনে রেখে সোমবার নবান্নে বসছে রাজ্য মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় বৈঠক। ফলে সরকারি কর্মচারী থেকে সাধারণ মানুষ, সকলের নজর এখন নবান্ন-এর বৈঠকের দিকে। একইসঙ্গে দুর্নীতি, নারী নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন সরকার কী পদক্ষেপ নিতে চলেছে, সেই দিকেও কৌতূহল রয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী গত সোমবার প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন। সেই বৈঠকের পরই তিনি জানিয়েছিলেন, দ্বিতীয় বৈঠকে আর জি কর কাণ্ড, নারী নির্যাতন, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, বকেয়া ডিএ এবং পে কমিশন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। ফলে দ্বিতীয় বৈঠকের পর কী বড় ঘোষণা সামনে আসে, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।
প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নতুন সরকার। বিএসএফ-এর হাতে জমি হস্তান্তর, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প-সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে যুক্ত হওয়া, সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা পাঁচ বছর বৃদ্ধি এবং অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালুর মতো সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, সরকার গঠনের পর অল্প সময়ের মধ্যেই প্রথম বৈঠক করতে হওয়ায় সব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা সম্ভব হয়নি। তাই দ্বিতীয় বৈঠকেই পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্য ছিল, নতুন সরকার একদিকে সুশাসন ও নিরাপত্তার উপর জোর দেবে, অন্যদিকে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ে ‘ডবল ইঞ্জিন’ প্রকল্পের সুবিধা মানুষের কাছে পৌঁছে দেবে।
সরকারি কর্মচারীদের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা এখন বকেয়া মহার্ঘভাতা বা ডিএ নিয়ে। আগের সরকারের আমলেই Supreme Court of India রাজ্য সরকারকে বকেয়া ডিএ মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল। যদিও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ বকেয়া মেটানো হয়নি। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের একাংশের বকেয়া মিটলেও ২০০৮ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ডিএ এখনও বাকি রয়েছে বলে সরকারি কর্মীদের দাবি। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর কর্মচারী মহলের একাংশ মনে করছে, এবার হয়তো সম্পূর্ণ বকেয়া মেটানোর পথে হাঁটতে পারে প্রশাসন।
অর্থ দপ্তর সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র পাশাপাশি বেতনের কাঠামো নিয়েও চিন্তাভাবনা করছে সরকার। নির্বাচনী ইস্তেহারেই বিজেপি সপ্তম বেতন কমিশনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সরকারি কর্মীদের আশা, সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর হলে বেতনে বড়সড় বৃদ্ধি হতে পারে। ফলে আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্ত ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে জল্পনা ও প্রত্যাশা।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top