বিদেশ – সাড়ে তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা উত্তেজনা ও সংঘাতের পর অবশেষে পশ্চিম এশিয়ায় স্বস্তির বার্তা এল। বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিচুক্তিতে স্বাক্ষর করল ইরান এবং আমেরিকা। দীর্ঘ কূটনৈতিক টানাপোড়েনের অবসান ঘটিয়ে দুই দেশের এই সমঝোতা আন্তর্জাতিক মহলে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
জানা গিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান শান্তিচুক্তির সমঝোতা পত্রে স্বাক্ষর করেছেন। যদিও নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক কারণে এই স্বাক্ষর প্রক্রিয়া ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে বলে খবর।
এই চুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালীর পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা। দীর্ঘদিনের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। হরমুজ প্রণালীকে বিশ্বের ‘তৈল ধমনী’ বলা হয়, কারণ বিশ্বে রফতানি হওয়া বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শান্তিচুক্তির ফলে পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা কমবে এবং আন্তর্জাতিক তেল বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসতে পারে। একইসঙ্গে বিশ্ব বাণিজ্য এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপরও এই চুক্তির ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।




















