সুমিত রায়ের খোঁজে তল্লাশি জোরদার, মাঝরাতে আটক ঘনিষ্ঠ বন্ধু পলাশ চক্রবর্তী

সুমিত রায়ের খোঁজে তল্লাশি জোরদার, মাঝরাতে আটক ঘনিষ্ঠ বন্ধু পলাশ চক্রবর্তী

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



রাজ্য – জমি জালিয়াতি ও তোলাবাজির মামলায় অভিযুক্ত সুমিত রায়ের খোঁজে পুলিশের তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে। এখনও তাঁর সন্ধান না মিললেও, তদন্তের অংশ হিসেবে তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু পলাশ চক্রবর্তীকে মাঝরাতে আটক করেছে পুলিশ। তবে কোন মামলায় বা কী কারণে তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে পরিবারের কাছে স্পষ্ট কোনও তথ্য জানানো হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত পলাশ চক্রবর্তী হুগলির ব্যান্ডেলের বাসিন্দা। সুমিত রায়ের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিল বলে জানা যাচ্ছে। এছাড়াও নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন যুব তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল বলে স্থানীয় মহলের দাবি।

পলাশ চক্রবর্তী অতীতে ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি শ্রীরামপুর কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজনীতির সময় থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও যোগাযোগ তৈরি হয় বলে জানা গেছে।

পলাশের বাবা প্রদীপ চক্রবর্তীর অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ পাঁচজন ব্যক্তি নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে বাড়িতে এসে তাঁর ছেলেকে নিয়ে যান। পরিবারের দাবি, তাঁরা কোন থানার পুলিশ বা কোন তদন্তকারী সংস্থার সদস্য, সে বিষয়ে কোনও পরিচয় স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি। একইসঙ্গে কী অভিযোগে তাঁকে আটক করা হয়েছে, তাও জানানো হয়নি বলে পরিবারের অভিযোগ।

প্রতিবেশীদের বক্তব্য অনুযায়ী, একটি সাদা রঙের গাড়িতে করে পুলিশ লেখা চিহ্নযুক্ত গাড়িতে ওই দলটি আসে। এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, পলাশ শান্ত স্বভাবের যুবক হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও অংশ নিতেন। গত বছরের দুর্গাপুজোতেও তিনি স্থানীয় ক্লাবের অন্যতম স্পনসর ছিলেন বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা।

অন্যদিকে, মূল অভিযুক্ত সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও আর্থিক জালিয়াতি-সহ একাধিক মামলার তদন্ত চলছে। তাঁর খোঁজে ইতিমধ্যেই পুলিশ কলকাতার কালীঘাটে এবং হুগলির শ্রীরামপুরে একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত তিনি অধরা রয়েছেন।

এরই মধ্যে আদালতে সুমিত রায়ের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার তরফে তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিসও জারি করা হয়েছে, যাতে তিনি দেশ ছেড়ে পালাতে না পারেন। তদন্তকারীরা তাঁর অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহে বিভিন্ন সূত্রে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top