রাজ্য – বাংলা সিনেমার স্বর্ণযুগের কিংবদন্তি অভিনেতা মহানায়ক উত্তমকুমার শুধু একজন শিল্পী নন, তিনি বাঙালির সংস্কৃতি, আবেগ ও আত্মপরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর অভিনয়শৈলী, ব্যক্তিত্ব এবং অসামান্য শিল্পসাধনা বাংলা চলচ্চিত্রকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে এক অন্য মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছিল। ২০২৬ সালে উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।
বৃহস্পতিবার বিকেলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আহ্বানে উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষ উদযাপন নিয়ে আলোচনায় নন্দনে একজোট হলেন টলিউডের শিল্পীরা। কিংবদন্তি অভিনেতার জন্মশতবর্ষ কীভাবে আরও বড় আকারে উদযাপন করা যায়, তা নিয়েই এদিন আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
নন্দনে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী-সহ বিজেপির বেশ কয়েকজন বিধায়ক, যাঁরা টলিউডের সঙ্গে যুক্ত। মুখ্যমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে হাজির হয়েছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী, মমতা শংকর, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, গৌতম ঘোষ, জিৎ, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, চিরঞ্জিত চক্রবর্তী, যিশু সেনগুপ্ত, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, বনি সেনগুপ্ত, কৌশানি মুখোপাধ্যায়, পায়েল সরকার-সহ টলিউডের আরও বহু বিশিষ্ট শিল্পী।
এদিনের বৈঠকেই ঘোষণা করা হয়েছে ৩২তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের দিনক্ষণ। আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে চলচ্চিত্র উৎসব। পাশাপাশি উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে রাজ্য সরকারের তরফে নেওয়া হয়েছে একাধিক পরিকল্পনা।
আগামী ৩ সেপ্টেম্বর মহাসমারোহে পালন করা হবে মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবার্ষিকী। মহানায়কের স্মৃতির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনের পাশাপাশি বাংলা চলচ্চিত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সংবর্ধনা দেওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তাঁর মুখ্যমন্ত্রিত্ব এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের মন্ত্রীত্বের সময়ে মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষ পালনের সুযোগ পাওয়া তাঁর কাছে সৌভাগ্যের বিষয়। তাঁর কথায়, এই সুযোগ ঈশ্বরের আশীর্বাদ ছাড়া সম্ভব নয়। উত্তমকুমার ‘নায়কদের নায়ক’, তাই তিনি মহানায়ক।




















