বিনোদন – বাংলার জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘দাদাগিরি’ মানেই বিনোদনের এক অন্যরকম আয়োজন। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উত্তরসূরি হিসেবে ‘নতুন দাদা’র আসনে দেবের আত্মপ্রকাশের পর থেকেই শোকে ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ আরও বেড়েছে। এবার খেলাধুলা কিংবা সাধারণ বিনোদনের পাশাপাশি দাদাগিরির মঞ্চে দেখা যেতে পারে রাজনীতির উত্তাপও। শোয়ের শুটিং ফ্লোরে খুব শীঘ্রই একসঙ্গে হাজির হতে পারেন বাংলার তিন পরিচিত রাজনৈতিক মুখ—সজল ঘোষ, কুণাল ঘোষ এবং মদন মিত্র।
অভিজিৎ সেনের পরিচালনায় এই রিয়েলিটি শোয়ের মঞ্চে তিন রাজনীতিকের উপস্থিতির খবর ঘিরে ইতিমধ্যেই টলিপাড়া থেকে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বাস্তব রাজনীতিতে তিনজনের অবস্থান ভিন্ন মেরুতে। ফলে একই মঞ্চে তাঁদের মুখোমুখি হওয়া ঘিরে দর্শকদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে কৌতূহল।
তৃণমূল কংগ্রেস নেতা মদন মিত্র তাঁর বর্ণময় ব্যক্তিত্ব এবং রসিক মেজাজের জন্য বরাবরই আলোচনায় থাকেন। অন্যদিকে কুণাল ঘোষ তৃণমূলের অন্যতম পরিচিত মুখ এবং রাজনৈতিক বিতর্কে তীক্ষ্ণ ও যুক্তিনির্ভর বক্তব্যের জন্য পরিচিত। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ আবার তৃণমূলের অন্যতম সরব বিরোধী মুখ হিসেবে রাজনৈতিক মহলে পরিচিত। ফলে তিনজন একই মঞ্চে এলে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থেকে কথার লড়াই—সবই উঠে আসতে পারে বলে জল্পনা।
রাজনীতির ময়দানে একে অপরের প্রতিপক্ষ হলেও দাদাগিরির মঞ্চে তাঁদের দেখা যাবে বিনোদনের আবহে। সেই মঞ্চে তর্ক-বিতর্ক কতটা জমে ওঠে এবং তিন ভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থানের মানুষকে কীভাবে সামলান সঞ্চালক দেব, তা নিয়েই এখন দর্শকদের আগ্রহ তুঙ্গে।
এর পাশাপাশি দাদাগিরি সঞ্চালনার সঙ্গে দেবের কেরিয়ারও এখন ব্যস্ততায় ভরা। একদিকে চলছে টেলিভিশন শোয়ের শুটিং, অন্যদিকে অনুরাগীরা অপেক্ষা করছেন তাঁর বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’র জন্য। ছবিটি প্রথমে ৪ অগস্ট মুক্তির কথা থাকলেও পোস্ট-প্রোডাকশনের কিছু কাজ বাকি থাকায় মুক্তির পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন করা হয়েছে।




















