জিনগত সমস্যা এড়াতে তুষারচিতার জন্য বিদেশি ‘পাত্রী’ খুঁজছে দার্জিলিং চিড়িয়াখানা

জিনগত সমস্যা এড়াতে তুষারচিতার জন্য বিদেশি ‘পাত্রী’ খুঁজছে দার্জিলিং চিড়িয়াখানা

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



দার্জিলিং: হিমালয়ের বরফঢাকা পাহাড়ের দুর্লভ শিকারি তুষার চিতা। ধূসর-সাদা শরীরে কালো ছোপ এবং লম্বা লেজের জন্য সহজেই পরিবেশের সঙ্গে মিশে যেতে পারে এই প্রাণী। সেই কারণেই তাকে বলা হয় ‘পর্বতের ভূত’। মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার পার্বত্য অঞ্চলে এদের দেখা মিললেও পশ্চিমবঙ্গে একমাত্র দার্জিলিংয়ের পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুলজিক্যাল পার্কেই রয়েছে তুষার চিতা।

তবে এবার দার্জিলিংয়ের তুষার চিতা পরিবারে জিনগত বৈচিত্র বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে একই বংশের মধ্যে প্রজনন চলতে থাকায় ভবিষ্যতে জিনগত সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের। সেই সমস্যা এড়াতেই বিদেশ থেকে নতুন বংশের তুষার চিতা আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

দার্জিলিং চিড়িয়াখানায় থাকা তুষার চিতাগুলি মূলত সিকিমের বংশোদ্ভূত। শৈলশহর তোপকেদাড়ায় তাদের প্রজনন কেন্দ্র রয়েছে। বর্তমানে সেখানে প্রায় ১৩টি তুষার চিতা রয়েছে—৫টি পুরুষ এবং ৮টি স্ত্রী।

সূত্রের খবর, পরিবারের মধ্যে জিনগত বৈচিত্র আনতে জাপানের সঙ্গে তুষার চিতা বিনিময়ের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে একই পরিবারের মধ্যে প্রজনন চলতে থাকলে ভবিষ্যতে শারীরিক বা জিনগত সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেই সম্ভাবনা ঠেকাতেই অন্য বংশের তুষার চিতা আনার বিষয়ে আলোচনা চলছে।

ভারতের লাদাখ, জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, সিকিম এবং অরুণাচল প্রদেশের হিমালয় অঞ্চলেও তুষার চিতার বসবাস রয়েছে। দার্জিলিং চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগ সফল হলে তুষার চিতা সংরক্ষণ ও প্রজননে জিনগত বৈচিত্র বজায় রাখার ক্ষেত্রে তা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top