জোড়াফুল প্রতীক কার? ৪ মাসের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, পুরভোটের আগে তুঙ্গে তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে টানাপোড়েন

জোড়াফুল প্রতীক কার? ৪ মাসের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, পুরভোটের আগে তুঙ্গে তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে টানাপোড়েন

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


কলকাতা:

পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন পুরসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও ঐতিহ্যবাহী ‘জোড়াফুল’ প্রতীক নিয়ে আইনি লড়াই আরও গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুই শিবিরের মধ্যে দলের নাম ও নির্বাচনী প্রতীকের দাবিকে কেন্দ্র করে চলা মামলায় সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন কমিশনকে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বিষয়টির নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, উভয় পক্ষের বক্তব্য, নথি ও যুক্তি শুনে কমিশনকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের নির্দেশ অনুযায়ী, প্রথম চার সপ্তাহের মধ্যে দুই পক্ষের সমস্ত নথি ও বক্তব্য গ্রহণের প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। এরপর পরবর্তী তিন মাসে জমা পড়া নথি, প্রমাণ ও অন্যান্য তথ্য খতিয়ে দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে হবে। অর্থাৎ, পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ করার জন্য মোট চার মাসের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। একইসঙ্গে মামলাটি দীর্ঘায়িত না করার প্রয়োজনীয়তার কথাও জানিয়েছে আদালত।

এর আগে নির্বাচন কমিশন অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। দুই শিবিরকে পৃথক নাম ও প্রতীকও দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নামের সঙ্গে ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ প্রতীক এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে ‘ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূল কংগ্রেস’ নামের সঙ্গে ‘খাম’ প্রতীক দেওয়া হয়েছে। এই ব্যবস্থা সংশ্লিষ্ট উপনির্বাচনকে সামনে রেখে অন্তর্বর্তীকালীনভাবে কার্যকর করা হয়েছে।

এদিকে, দুর্গাপুজো মিটলেই নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে কলকাতা, হাওড়া-সহ একাধিক এলাকায় পুরসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে তার আগে নির্বাচন কমিশন জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারে কি না, তা এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চার মাসের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সিদ্ধান্ত না হলে আসন্ন পুরভোটে দুই শিবিরের কোনও পক্ষই ঐতিহ্যবাহী ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হতে পারে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top