পূর্ব বর্ধমান: আর বাজবে না ঢাক, মাইকে হবে না গানবাজনা, বন্ধ থাকবে সমস্ত আনন্দ অনুষ্ঠান। গ্রামের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র সন্দীপ বেজ ও তাঁর মা টগর বেজের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর এমনই সিদ্ধান্ত নিলেন পূর্ব বর্ধমানের মাধবডিহির বীরপুরের পঞ্চগ্রাম পুজোর উদ্যোক্তারা। উৎসবের মরশুমে এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়। শোকস্তব্ধ বেজ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন পাঁচ গ্রামের বাসিন্দারা।
পাষণ্ডা, বারপুর, বীরপুর, নিলুট ও দিঘুড়া—এই পাঁচ গ্রামের বাসিন্দাদের উদ্যোগে বীরপুরে আয়োজিত হয় পঞ্চগ্রামের বারোয়ারি দুর্গাপুজো। পঞ্চগ্রাম পুজো কমিটির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই পুজোর জন্য সারা বছর অপেক্ষা করে থাকেন পাঁচ গ্রামের আট থেকে আশি—সকলেই। পুজোকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর চলে টানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বসে মেলা। আনন্দে মেতে ওঠেন এলাকার বাসিন্দারা।
এবারও পুজো ঘিরে ছিল নানা আয়োজন। কিন্তু সন্দীপ বেজ ও তাঁর মা টগর বেজের মৃত্যুর মর্মান্তিক ঘটনা মুহূর্তে বদলে দিয়েছে উৎসবের আবহ। আনন্দের বদলে এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোক।
শোকের আবহে পাশে পাঁচ গ্রামের বাসিন্দারা
এই কঠিন সময়ে বেজ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন পাঁচ গ্রামের মানুষ। মৃতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুজোর আনন্দ-অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উদ্যোক্তারা। ঢাকের শব্দ, মাইকে গানবাজনা কিংবা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বদলে এবার পঞ্চগ্রামের পুজোয় থাকবে শোকের আবহ।
যে পুজোকে ঘিরে প্রতি বছর পাঁচ গ্রামের মানুষের মিলনমেলা বসে, সেই পুজোতেই এবার বিষাদের ছায়া। সন্দীপ ও তাঁর মায়ের মৃত্যুতে শোকাহত গোটা এলাকা। এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে মৃতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে থাকার বার্তাও দিলেন পুজোর উদ্যোক্তা ও গ্রামবাসীরা।




















