স্থান: নয়াদিল্লি | জাতীয় সংবাদ
যন্তর মন্তর এলাকায় আইন অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার থাকা পর্যন্ত জনশান্তি বিঘ্নিত হতে পারে, এমন কোনও কাজ বা প্রতিবাদের ডাক দেবেন না—স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (SEM) আদালতে লিখিত মুচলেকা দিয়ে এমনটাই জানালেন ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র দুই শীর্ষ নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। আইনি প্রক্রিয়া মেনে মুচলেকা জমা দেওয়ার পর বুধবার তাঁদের বিচারবিভাগীয় হেফাজত থেকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত।
বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থা প্রকাশ করে দুই নেতার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিচারব্যবস্থা এবং স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-সহ সংশ্লিষ্ট সমস্ত প্রতিষ্ঠানের উপর তাঁদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আইনি পোর্টাল ‘বার অ্যান্ড বেঞ্চ’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই তথ্য সামনে এসেছে।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ২৩ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। ওই দিন সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে তাঁদের জামিনদারদের সঙ্গে সশরীরে আদালতে হাজির হতে হবে। পাশাপাশি, মামলার বিষয়ে পুলিশকে একটি যাচাইকরণ রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।
উল্লেখ্য, গত ১৯ অক্টোবর দুই নেতার পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের মেয়াদ আরও দু’দিন বাড়ানো হয়েছিল। তবে বুধবার তাঁদের জামিন সংক্রান্ত নথিপত্র ও জামিনদারদের কাগজপত্র গ্রহণের পর মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। সহকারী পুলিশ কমিশনার ঋতু রাজ, যিনি ওই সময় স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালন করছিলেন, মুক্তির নির্দেশনামায় স্বাক্ষর করেন।
আগামী ২৩ অক্টোবরের শুনানিতে মামলার পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ কী হয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।



















