‘ভোট চুরি দেশদ্রোহিতা’, জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ ও গ্রেফতারের দাবি রাহুল গান্ধীর

‘ভোট চুরি দেশদ্রোহিতা’, জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ ও গ্রেফতারের দাবি রাহুল গান্ধীর

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


নয়াদিল্লি: দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র জনসভা থেকে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনকে ‘বেআইনি’ ও ‘ভোট চুরি’র নির্বাচন বলে দাবি করে জ্ঞানেশ কুমারকে পদ থেকে সরানোর পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে অপরাধের দায়ে জেলযাত্রার দাবিও তুললেন তিনি।

রবিবার রাজধানীর মিন্টো রোড ও কনট প্লেসের সংযোগস্থল থেকে পদযাত্রা শুরু করে রামলীলা ময়দানে পৌঁছয় বিরোধী জোটের ‘চলো দিল্লি’ বিক্ষোভ মিছিল। ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলে এই সমাবেশের ডাক দিয়েছিল বিরোধী জোট।

সভামঞ্চ থেকে রাহুল গান্ধী বলেন, “এই ভোট চুরি কোনও সাধারণ দোকান থেকে চুরি নয়। এটি ভারতের প্রতিটি মানুষের কণ্ঠস্বর চুরি করা। আইনি পরিভাষায় একে বলা হয় দেশদ্রোহিতা।” তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমারের সহযোগিতা ছাড়া নরেন্দ্র মোদী দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং অমিত শাহ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পারতেন না।

রাহুলের আরও দাবি, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর ভোটার তালিকা থেকে ১৫ শতাংশ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এনডিএ ও ইন্ডিয়া জোটের প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধান ছিল মাত্র ৩ শতাংশ। সেই পরিসংখ্যানের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশনের তথ্যকে সামনে রেখে ২০২৪ সালের নির্বাচন বেআইনি বলে দাবি করেন তিনি।

রাহুল গান্ধী বলেন, “দেশের প্রতিটি যুবক ও নাগরিককে নিশ্চিত করে বলছি—মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে জ্ঞানেশ কুমারকে সরতেই হবে। তাঁকে শেষ পর্যন্ত জেলে যেতে হবে।” তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top