
নয়াদিল্লি, ২০ জুন: পদত্যাগের সিদ্ধান্তে অনড়। পরের পদক্ষেপ কোন দিকে, তা নিয়ে জল্পনার অন্ত নেই। এই অবস্থায় রাহুল গান্ধী বৃহস্পতিবার বললেন, তিনি নন, নতুন কংগ্রেস সভাপতি কে হবেন সেই সিদ্ধান্ত নেবে দল।
কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি ইতিমধ্যেই রাহুলের ইস্তফার প্রস্তাব খারিজ করেছে। দলের সব স্তরে পুনর্বিন্যাসের ভার চাপিয়েছে তাঁর হাতেই। তবে তা সত্ত্বেও লোকসভা ভোটের ভরাডুবির দায় নিয়ে কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্তে অনড়ই রয়েছেন সোনিয়া-পুত্র। এই অবস্থায় সাংবাদিকরা এদিন রাহুলের কাছে জানতে চান, কংগ্রেস সভাপতি পদে তাঁর উত্তরসূরি কে হবেন? জবাবে রাহুল বলেন, পরবর্তী সভাপতি নিয়ে তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন না। সিদ্ধান্ত নেবে দল। উল্লেখ্য, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট কংগ্রেসের পরবর্তী সভাপতি হতে পারেন বলে একটি রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে। তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রাহুল বলেন, এরকম কোনও সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।
রাহুল গান্ধীর এই অনড় অবস্থানের মধ্যেই তাঁর মন গলাতে আসরে নেমেছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়া। বেঙ্গালুরুতে এদিন এই জেডিএস নেতা বলেন, রাহুল গান্ধীকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত পুনর্বিচার করতে বলেছি। তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছে আমার। তবে দেবেগৌড়ার এই উদ্যোগ কতটা সফল হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আর ইস্তফার সিদ্ধান্তে অনড় থাকার পাশাপাশি এদিন ফের রাফাল ইস্যুতে সরব হন রাহুল গান্ধী। এদিন সংসদের যৌথ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ভাষণ রাখেন। তারপর সংসদের বাইরে রাহুল বলেন, রাফাল চুক্তিতে চুরি হয়েছে। আমার অবস্থান বদলায়নি। রাফাল চুক্তিতে দুর্নীতি হয়েছে। তা নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া উচিত। রাফাল চুক্তি নিয়ে ফের সরব হলেও এদিন অন্য একটি ঘটনা নিয়ে শাসকদলের সমালোচনার মুখে পড়েছেন রাহুল গান্ধী। অভিযোগ, সংসদের যৌথ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেওয়ার সময় মোবাইল ফোনে ব্যস্ত ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি। মা সোনিয়া গান্ধী ও কংগ্রেস নেতা আনন্দ শর্মার সঙ্গে কথাবার্তা বলতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। সেই ছবি পোস্ট করে রাহুল গান্ধীর মুণ্ডপাত করেছেন গিরিরাজ সিং, আর কে সিং ও বাবুল সুপ্রিয়র মতো কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। যদিও অভিযোগ খারিজ করেছেন আনন্দ শর্মা। প্রবীণ এই কংগ্রেস নেতার বক্তব্য, রাহুল গান্ধী কথা বলছিলেন না। রাষ্ট্রপতির ভাষণে ব্যবহৃত বেশ কিছু কঠিন হিন্দি শব্দ ঠিক মতো শুনতে পাননি তিনি। সেগুলিরই অর্থ জানতে চাইছিলেন।
কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি ইতিমধ্যেই রাহুলের ইস্তফার প্রস্তাব খারিজ করেছে। দলের সব স্তরে পুনর্বিন্যাসের ভার চাপিয়েছে তাঁর হাতেই। তবে তা সত্ত্বেও লোকসভা ভোটের ভরাডুবির দায় নিয়ে কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্তে অনড়ই রয়েছেন সোনিয়া-পুত্র। এই অবস্থায় সাংবাদিকরা এদিন রাহুলের কাছে জানতে চান, কংগ্রেস সভাপতি পদে তাঁর উত্তরসূরি কে হবেন? জবাবে রাহুল বলেন, পরবর্তী সভাপতি নিয়ে তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন না। সিদ্ধান্ত নেবে দল। উল্লেখ্য, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট কংগ্রেসের পরবর্তী সভাপতি হতে পারেন বলে একটি রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে। তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রাহুল বলেন, এরকম কোনও সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।
রাহুল গান্ধীর এই অনড় অবস্থানের মধ্যেই তাঁর মন গলাতে আসরে নেমেছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়া। বেঙ্গালুরুতে এদিন এই জেডিএস নেতা বলেন, রাহুল গান্ধীকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত পুনর্বিচার করতে বলেছি। তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছে আমার। তবে দেবেগৌড়ার এই উদ্যোগ কতটা সফল হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আর ইস্তফার সিদ্ধান্তে অনড় থাকার পাশাপাশি এদিন ফের রাফাল ইস্যুতে সরব হন রাহুল গান্ধী। এদিন সংসদের যৌথ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ভাষণ রাখেন। তারপর সংসদের বাইরে রাহুল বলেন, রাফাল চুক্তিতে চুরি হয়েছে। আমার অবস্থান বদলায়নি। রাফাল চুক্তিতে দুর্নীতি হয়েছে। তা নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া উচিত। রাফাল চুক্তি নিয়ে ফের সরব হলেও এদিন অন্য একটি ঘটনা নিয়ে শাসকদলের সমালোচনার মুখে পড়েছেন রাহুল গান্ধী। অভিযোগ, সংসদের যৌথ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেওয়ার সময় মোবাইল ফোনে ব্যস্ত ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি। মা সোনিয়া গান্ধী ও কংগ্রেস নেতা আনন্দ শর্মার সঙ্গে কথাবার্তা বলতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। সেই ছবি পোস্ট করে রাহুল গান্ধীর মুণ্ডপাত করেছেন গিরিরাজ সিং, আর কে সিং ও বাবুল সুপ্রিয়র মতো কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। যদিও অভিযোগ খারিজ করেছেন আনন্দ শর্মা। প্রবীণ এই কংগ্রেস নেতার বক্তব্য, রাহুল গান্ধী কথা বলছিলেন না। রাষ্ট্রপতির ভাষণে ব্যবহৃত বেশ কিছু কঠিন হিন্দি শব্দ ঠিক মতো শুনতে পাননি তিনি। সেগুলিরই অর্থ জানতে চাইছিলেন।



















