
নিজস্ব সংবাদদাতা, মুর্শিদাবাদ, ১৮ ফেব্রুয়ারি, প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকের চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণার ঘটনা সামনে এল।আট লক্ষ্য টাকা দিলেই চাকরি, এমনই লোভে পা ফেলেছেন বহুজন।সেই মতো এক লাখ চল্লিশ হাজার টাকা নেওয়া হয়।গতকাল ইন্টারভিউর জন্য ডাকা হলে তারা কথা মতো এদিন অপেক্ষা করতে থাকে।সময় পেরিয়ে গেলেও না এলে অপেক্ষা করতে থাকে সকলে, বিকেলের দিকে এলে তাকে ধরে।তখনই ছুটে পালাতে গেলে ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার করলে পূর্ত ভবনের সামনে থেকে পথ চলতি মানুষ ও ট্রাফিক পুলিশ ধরে বিধান নগর উত্তর থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়।ধৃতের নাম রাজমুল হক (রাজু)।আজ ধৃতকে বিধান নগর কোর্টে তোলা হবে।
সুতি থানা এলাকার বাসিন্দার অভিযোগ, ফারাক্কায় এক্সচেঞ্জ অফিসে (গ্রূপ ডি) পরীক্ষা দিতে যায় ওবাইদূর রহমান।সেখানে গেটের বাইরে রাজমুল হক এর সাথে পরিচয় হয়।তখন সে বলে প্রাইমারি শিক্ষকের চাকরি করিয়ে দেবে আট লাখ টাকার বিনিময়ে।এর পর ওবাইদুর রাজমুলের সাথে যোগাযোগ করতে থাকে।সেই মতো ছয়মাস আগে সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কের তিন নম্বর গেটের কাছে চল্লিশ হাজার টাকা ক্যাশ দিয়ে দেয়।আবারও চাকরি পাওয়ার আশায় ৩১/১/২০২০ তে এক লাখ টাকা অভিযুক্তের ব্যাংক একাউন্টে দিয়ে দেয়।এরপর অভিযোগ কারির দাদা হাসমত আলী ফোন করে।সে জানায় আপনাকে ভেরিফিকেশনের তারিখ জানিয়ে দেব।সেই মতো ১৭ তারিখ দুপুর ১২ টার সময় বিকাশ ভবনে ভেরিফিকেশন এর জন্য একটি কাগজ দেয়।সেই মতো তারা বিকাশ ভবনে চলে আসে।কিন্তু সময় পেরিয়ে গেলেও কোনো ডাক না পেয়ে অভিযুক্তকে ফোন করে।কিন্তু সে বারবার করে ঘোরাতে থাকে।তখনই তাদের সন্দেহ দানা বাধে।খোঁজ নিতে শুরু করে বিকাশ ভবনে।জানতে পারে এটা ভুয়ো।তখনই ধারার ছক কষতে থাকে।তার দাবি তার এক পরিচিত স্পেশাল ব্রাঞ্চ অফিসার এর সাথে যোগাযোগ করে।সে চলে আসে।অভিযুক্ত যখন তাদের কাছে আসে তখন ওই পরিচিত তার আই কার্ড দেখালে পালাতে শুরু করে।তিন ভাই তার পিছনে ছুটতে শুরু করে।ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার করলে পূর্ত ভবনের সামনে ট্রাফিক পুলিশ ও পথ চলতি মানুষ ধরে ফেলে ।এর পর বিধান নগর উত্তর থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।আজ তাকে বিধান নগর কোর্টে তোলা হবে।নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে এবং এর সাথে আর কারা কারা জড়িত আছে সেই বিষয় খতিয়ে দেখা হবে।



















